অফিস ডেস্ক
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, মেধাভিত্তিক জাতি গঠনের জন্য পরীক্ষার সিস্টেম পরিবর্তন করতে হবে। অটোপাসের আর কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না। মেধাভিত্তিক জাতি গঠনে অটোপাসের প্রথা পুরোপুরি বন্ধ করার ঘোষণা দিয়ে তিনি জানান যে এখন থেকে প্রকৃত মেধার মূল্যায়নই হবে একমাত্র মাপকাঠি।
মন্ত্রী আসন্ন এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা ২০২৬ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানদের পরীক্ষার্থীদের যথাযথ বডি সার্চ নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষায় গড় নম্বর দেওয়ার প্রচলিত নিয়ম বন্ধ করে সঠিক মূল্যায়নের ওপর জোর দেন তিনি। সভায় দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও আধুনিক করতে যেসব জেলায় জিলা স্কুল নেই সেখানে প্রথম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত সমন্বিত উচ্চ মাধ্যমিক আদলে জিলা স্কুল প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনার কথাও জানান মন্ত্রী।
পরীক্ষাকেন্দ্রের ভেতর বা টয়লেটে কোনো প্রকার নকল পাওয়া গেলে তার দায়ভার সরাসরি কেন্দ্র কর্তৃপক্ষকে নিতে হবে। শিক্ষকরা সক্রিয় না থাকলে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মেধাবী প্রজন্ম গড়ে তুলতে অটোপাসের কোনো সুযোগ আর রাখা হবে না। পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের প্রকৃত যোগ্যতার যাচাই করা হবে। পরীক্ষা চলাকালীন প্রশ্ন বা প্রশ্ন সংক্রান্ত কোনো তথ্য ইন্টারনেটে ছড়ালে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে যেসব জেলায় জিলা স্কুল নেই সেখানে প্রথম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষা কার্যক্রম সংবলিত উন্নতমানের স্কুল প্রতিষ্ঠা করা হবে।
প্র্যাকটিক্যাল বা ব্যবহারিক পরীক্ষায় সবাইকে ঢালাওভাবে গড় নম্বর দেওয়ার প্রথা বন্ধ করে প্রকৃত দক্ষতা অনুযায়ী নম্বর দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।