অফিস ডেস্ক
মুন্সীগঞ্জ পৌরসভা ৯নং ওয়ার্ড চর হায়দ্রাবাদ গ্রামের বাসিন্দা শাহীন খালাসী(৪৫)এর ছেলে সাকিল(২৪)ব্যাটারী চালিত অট্রোরিক্সা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করত। গত ২৭
জানুয়ারী ২০২৬ তারিখে সকালে সে অট্রোরিক্সা চালানোর উদ্দেশ্যে বাড়ী থেকে বের হয়। এরপর বাড়ীতে না আসায় তার পিতা মুন্সীগঞ্জ থানায় ১টি নিখোজ জিডি এন্টি করেন। নিখোজ সাকিলকে সকল স্থানে খোজাখুজি করে কোথায়ও পাওয়া যায়নি। গত ১৫ ফেরুয়ারী তারিখে বেলা অনুমানিক ৩ ঘটিকার সময় সাকিলের পিতা শাহীন খালাসী । পৌরসভার রমজানবেগ মিলিটারির চক কাশবনের মধ্যে ১টি অর্ধগলিত লাশ পাওয়া গেছে। লোকের মুখে সংবাদ পেয়ে আত্বীয় স্বজনসহ দ্রুত গিয়ে লাশ দেখে। মৃতদেহের পরোনো জিন্সের প্যান্ট-কোমড়ের বেল্ট এবং সাদা কালো রংয়ের গোলগলা গেঞ্জি দেখে বুঝতে পারে মৃতদেহটি তার
ছেলে নিখোজ সাকিরের ।
এই ঘটনার বিবরণ জানান পুলিশ সুপার জনাব মোঃ মেনহাজুল আলম। পিপিএম মহোদয়য়ের দিক নির্দেশনায় অতিরিক্ত পুলিশ
সুপার মোঃ ফিরোজ কবির (ক্রাইম অ্যান্ড অপস),মুন্সীগঞ্জ।
সার্কেল অফিসার মোঃ বিল্লাল হোসেন,পিপিএম এবং মুন্সীগঞ্জ থানার ইনচার্জ মোঃ আমিনুল ইসলাম এর নিবিড় তত্বাবধানে পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত জনাব সজিব দে এর
নেতৃত্বে মুন্সীগঞ্জ ডিবি পুলিশ ও থানা পুলিশের ১টি চৌকস টিম যৌথভাবে ঘটনার তদন্তে নামে। মৃতদেহের লাশ ময়না তদন্তের জন্য মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে মর্গে প্রেরণ করেন।
গ্রেফতারকৃত আসামী হলেন-রাজন শেখ(২৫)পিতা রবি আলী শেখ ,উওর চরমুসুরা। ইমরান সরকার(১৯ ), পিতা নজরুল সরকার , শরীফ সুলতান আফসু(২৫),পিতা জাবেদ আলী সিকদার ও মোঃ ইউসুফ গাজী (৬০), পিতা মৃত জয়নাল আবেদিন গাজী, দক্ষিন ইসলামপুর।
এরা মুন্সীগঞ্জ জেলার বাসিন্দা ।
এই ঘটনার প্রতিবাদ ও হত্যাকারীদের দৃষ্ট্যন্তমুলক শাস্তির দাবী নিহতের স্বজন ও এলাকাবাসী মুন্সীগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে এসে হত্যাকারীদের ফাসি চায়।