লৌহজংয়ে পাওনা টাকা পরিশোধ বিরোধকে কেন্দ্র করে ঘটনায় মৃত্যু এক
মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলা সাতঘড়িয়া মোড়ে রাস্তা পাশে পাওনা টাকা পরিশোধ বিরোধকে কেন্দ্র করে মারধরের ঘটনায় মৃত্যু এক।
উপজেলায় হলদিয়া সাতঘড়িয়া আজ মঙ্গলবার সকাল ৯ ঘটিকায় মেয়ের কাছে পাওনা টাকা পরিশোধকে কেন্দ্র বিরোধ ঘটনায় ব্রাহ্মণ গাও উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী বাংলা শিক্ষক এম.এ বাক্কার (৫৫) মৃত্যু ঘটনা ঘটেছে। মৃত্যু কারণ লৌহজং থানা পুলিশ শুরতাল শেষে কারণ নিশ্চিত করার জন্য লাশ ময়না তদন্তের জন্য মুন্সিগঞ্জ জেলায় প্রেরণ করা হয়েছে।
মৃত্যু এম, এ বাক্কার (৫৫) মেয়ে জথী (২৭) জানান, তোফায়েল আহমেদ (৫০) পিতা মৃত সিদ্দিক রহমান উপজেলা সাতঘড়িয়া মোড়ে রাস্তার পাশে আমার কাছে পাওনা টাকা অনুমানিক ৩লাখ পরিশোধ করাকে কেন্দ্র করে খারাপ আচারণ, কুরুচিপূর্ণ কথাবার্তা, গালমন্দ, কথা কাটিকাটির এক পর্যায়ে আমার বাবা ব্রাহ্মণ গাঁও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক এম এ বাক্কার ঘটনা স্থলে আসেন। কথাকাটি এক পর্যায়ে তোফায়েল আমার বাবাকে মারধর, কিল, ঘুসি ও ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়। জরুরী ভিত্তিতে উপজেলা হাসপাতাল নিয়ে আসলে কর্তব্য চিকিৎসক আমার বাবাকে মৃত্যু ঘোষণা করেন। এ বিষয়ে তোফায়েল নামেও আমি একটি থানা পুলিশের কাছে একটি অভিযোগ দাখিল করেছি।
লৌহজং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রসেনজিৎ জানান, এম এ বাক্কার কে মৃত্যু অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে। তার শরীরে কোন আঘাত চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তবে হাটুতে চামড়া উঠে যাওয়ার চিহ্ন পাওয়া গেছে।তার মুখ বাঁকা হয়ে গেছে। পরিবারের লোকজন কে তার মৃত্যু বিষয় নিশ্চিত করা হয়েছে।
লৌহজং থানা তদন্ত অফিসার মোঃ মনিরুজ্জামান জানান, সকালে উপজেলা হলদিয়া সাতঘড়িয়া পারিবারিক কলহের জেরে একজনের মৃত্যু ঘটনা ঘটেছে বলে জানতে পেরেছি।মৃত্যু ব্যক্তির লাশের শুরতাল শেষে জেলায় ময়লা তদন্ত জন্য প্রেরণ করা হয়েছে।
এম এ বাক্কার মেয়ে জথী একটি লিখতে অভিযোগ দাখিল করেছে আমরা তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।
লৌহজং উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ নেছার উদ্দিন বলেন, বিষয়টি অবগত হওয়ার পর থেকে লৌহজং থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাথে যোগাযোগ করে সঠিক তথ্য খুঁজে পাওয়া চেষ্টা করে যাচ্ছি। এছাড়া তিনি আরো বলেন ঘটনা সাথে জড়িতদের আইন আওতায় আনতে চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।