অফিস ডেস্ক
প্রতিবেদন প্রকাশ: ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, সময়ঃ ১২:১৫
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মুন্সীগঞ্জ জেলার তিনটি সংসদীয় আসনেই ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। তবে নির্বাচনে অংশ নেওয়া মোট ১৯ জন প্রার্থীর মধ্যে ১২ জন প্রয়োজনীয় ১২.৫ শতাংশ ভোট না পাওয়ায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের বিধান অনুযায়ী, কোনো প্রার্থীকে জামানত রক্ষা করতে হলে সংশ্লিষ্ট আসনে প্রদত্ত মোট বৈধ ভোটের অন্তত এক অষ্টমাংশ ভোট পেতে হয়।
মুন্সীগঞ্জ-১ (সিরাজদিখানুশ্রীনগর) আসনে মোট বৈধ ভোট পড়ে ৩ লাখ ১৬ হাজার ১৭২টি। এর মধ্যে ধানের শীষ প্রতীকের শেখ মো. আব্দুল্লাহ ১ লাখ ৬৭ হাজার ৫৬২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের এ কে এম ফখরুদ্দিন রাজী ১ লাখ ১ হাজার ৫৬৮ ভোট পেয়ে জামানত রক্ষা করেন। তবে কাস্তে প্রতীকের আব্দুর রহমান ৪৪৩, আপেল প্রতীকের রোকেয়া আক্তার ৩২০, হাতপাখার মো. আতিকুর রহমান খান ৯ হাজার ৩৯ ভোট এবং ফুটবল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মমিন আলী ৩০ হাজার ৬৭৮ ভোট পেয়ে জামানত হারান।
মুন্সীগঞ্জ-২ (টঙ্গিবাড়ীুলৌহজং) আসনে মোট বৈধ ভোট পড়ে ২ লাখ ২ হাজার ১৭৩টি। ধানের শীষ প্রতীকের আব্দুস সালাম আজাদ ১ লাখ ২১ হাজার ১৫৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। শাপলা কলি প্রতীকের মাজেদুল ইসলাম ৫৮ হাজার ৫৭৩ ভোট পেয়ে জামানত রক্ষা করেন। অপরদিকে চেয়ার প্রতীকের আশিক মাহমুদ ৬৫১, লাঙ্গল প্রতীকের নোমান হোসেন ২ হাজার ৮৫৭ এবং হাতপাখা প্রতীকের কে এম বিল্লাল ১৩ হাজার ৩৮৭ ভোট পেয়ে জামানত হারান।
মুন্সীগঞ্জ-৩ (সদর-গজারিয়া) আসনে মোট বৈধ ভোট পড়ে ২ লাখ ৭৬ হাজার ৫১টি। ধানের শীষ প্রতীকের কামরুজ্জামান রতন ১ লাখ ২৪ হাজার ৬৯১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। ফুটবল প্রতীকের মো. মহিউদ্দিন ৮৮ হাজার ৯৩৬ এবং রিকশা প্রতীকের নুর হোসাইন নুরানী ৫৪ হাজার ৪৫৬ ভোট পেয়ে জামানত রক্ষা করেন। তবে আনারস প্রতীকের আনিছ মোল্লা ২৯৪, লাঙ্গল প্রতীকের এ এফ এম আরিফুজ্জামান দিদার ৮০৪, কাস্তে প্রতীকের শেখ মো. কামাল হোসেন ৩০৪, কোদাল প্রতীকের শেখ মো. শিমুল ১৭৪ এবং হাতপাখার সুমন দেওয়ান ৬ হাজার ৩৯২ ভোট পেয়ে জামানত হারান।
© sangbad52 ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
সতর্কতাঃ এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ