২৪ ঘন্টাই খবর

ব্যথা নিয়ে পাকিস্তান সিরিজে খেলেছেন স্টোকস

করোনাভাইরাসের ছোবলে নিয়মিত অধিনায়ক ওয়েন মর্গ্যানসহ পুরো দল আইসোলেশনে চলে যাওয়ায় আচমকা ডাক পড়েছিল বেন স্টোকসের। তখনও যে পুরোপুরি সেরে ওঠেননি তিনি, সেটা জানা গেল এখন। দ্বিতীয় সারির দল নিয়ে পূর্ণশক্তির পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করার পর ইংলিশ এই অলরাউন্ডার জানালেন, পুরো সিরিজে আঙুলের তীব্র ব্যথা নিয়েই খেলতে হয়েছে তাকে। সীমিত ওভারের ক্রিকেটে প্রথমবার ইংল্যান্ডের অধিনায়কত্ব পেয়েই সিরিজ জয়ের স্বাদ পেলেন স্টোকস। তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজটি স্বাগতিকরা জিতে ৩-০ ব্যবধানে। অথচ এই সিরিজে খেলার কথাই ছিল না স্টোকসের। মূল দলে ছিলেনই না তিনি। গত এপ্রিলের মাঝামাঝিতে আইপিএলের ম্যাচে আঙুল ভেঙে গিয়ে লম্বা সময় মাঠের বাইরে থাকতে হয় তাকে। এরপর জুন-জুলাইয়ে ক্রিকেটে ফিরে টি-টোয়েন্টি ব্লাস্টে খেলেন ৬টি ম্যাচ। নিজের অবস্থা যাচাই করা কেবলই শুরু করেছিলেন স্টোকস। পুরোপুরি সুস্থ হওয়ার আগেই জাতীয় দলকে নেতৃত্ব দিতে ডাক পড়ে তার। কঠিন সেই চ্যালেঞ্জে দারুণভাবে উতরে গেলেও ব্যথা ভীষণ ভুগিয়েছে তাকে। ডেইলি মিররে নিজের কলামে স্টোকস লিখেছেন, সাধারণ কোনো পরিস্থিতি হলে কখনোই খেলতেন না। কেবল ইংল্যান্ডের অধিনায়ক বলেই হাসিমুখে সহ্য করতে হয়েছিল সব কষ্ট। “এটা আমার জন্য সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিত সিরিজ ছিল। সত্যি বলতে, আমার বাম তর্জনীতে যে পরিমান ব্যথা ছিল, সাধারণ পরিস্থিতিতে আমি কখনোই খেলতাম না। আইপিএলে আঙুল ভাঙার পর অস্ত্রোপচার সফল হয়েছিল। কিন্তু এটায় তখনও বেশ ব্যথা ছিল।” “মাঝেমধ্যে ¯্রফে হাসিমুখে এসব সহ্য করতে হয়। আর ইংল্যান্ডকে নেতৃত্ব দেওয়াটা তেমনই একটি কারণ। বলা যায়, আহত আঙ্গুলটি সেরেই গেছে। কিন্তু অসম্ভব ব্যথা ছিলৃতাই আমাকে ইনজেকশন নিতে হয়েছে, মৌসুমের বাকি সময় ব্যথা কমানোর জন্য।” গত শুক্রবার শুরু হওয়া পাকিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে স্টোকসকে রাখা হয়নি। আপাতত বিশ্রামে আছেন তিনি। ৩০ বছর বয়সী এই ক্রিকেটারের আশা, ভারত সিরিজ ও একশ বলের টুর্নামেন্ট দা হানড্রেডে খেলতে পারবেন তিনি কোনো বাধা ছাড়াই। “এখন কিছুটা বিশ্রাম পেয়েছি। আর এই বিশ্রাম স্টেরয়েডকে সময় দিবে কাজ করার এবং দা হানড্রেড ও ভারতের বিপক্ষে ব্যথামুক্তভাবে আমাকে খেলার সুযোগ করে দিবে। আশা করি, আসছে ভারতের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজের সময় আঙুল সমস্যা করবে না। সিরিজটি খুব গুরুত্বপূর্ণ এবং এখানে আমরা সবাই পারফর্ম করতে চাই।” আগামী বৃহস্পতিবার শুরু হতে যাওয়া দা হানড্রেড-এ নর্দান সুপারচার্জার্সের হয়ে খেলার কথা রয়েছে স্টোকসের। এরপর তিনি খেলবেন ভারতের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের টেস্ট সিরিজ, যা শুরু আগামী ৪ অগাস্ট। এদিকে, পাকিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে দলে ফিরলেও পেশির চোট থেকে এখনও পুরোপুরি সেরে ওঠেননি জস বাটলার। শুক্রবার ইংল্যান্ডের ৩১ রানে হেরে যাওয়া ম্যাচে এই ইংলিশ কিপার-ব্যাটসম্যান ছিলেন বাইরে। আর কনুইয়ে অস্ত্রোপচার করানো জফ্রা আর্চার দা হানড্রেড-এ সাউদার্ন ব্রেভের হয়ে খেলবেন বলে আশা করা হচ্ছে। গত মে থেকে মাঠের বাইরে এই পেসার।

Leave A Reply

Your email address will not be published.