২৪ ঘন্টাই খবর

শ্রীমঙ্গলে প্রধানমন্ত্রীর উপহার আশ্রয় প্রকল্প নিয়ে সিমাহীন দূর্নীতি!

মোঃ ফয়জুল ইসলাম আরিফ :

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের উদ্যোগে নেওয়া আশ্রয়ণ প্রকল্পে অনিয়ম, অবহেলা ও দুর্নীতির বিষয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সরকার। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অগ্রাধিকারমূলক এই প্রকল্পে সারা দেশে পৌনে ৯ লাখ গৃহহীন ও ভূমিহীন পরিবারকে ঘর দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে গত বছর কাজ শুরু হয়। এরই মধ্যে দেশের বিভিন্ন উপজেলায় প্রায় সোয়া লাখ উপকারভোগীকে ঘর বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এর মাঝেও সিমাহীন দুর্নীতি ও অনিয়মের কথা বিভিন্ন সময় গণমাধ্যমে প্রকাশ হলেও আশ্রয়ণ প্রকল্পে অনিয়ম, অবহেলা ও দুর্নীতি যেন থামছেই না। এবার মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলার মহাজীরাবাদের বেগুনবাড়ি এলাকায় আশ্রয়ণ প্রকল্পে অনিয়ম, অবহেলা ও দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে।

মুজিব জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের মধ্যে গৃহ নির্মাণ কর্মসূচির আওতায় শ্রীমঙ্গল উপজেলায় আশ্রয়ণ-২ (২য় পর্যায়) প্রকল্পের আওতায় ৩০০টি ঘর বিতরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গত ৯ জুলাই সরেজমিনে জানা গেছে ভূমিহীন অসহায়দের আশ্রয় প্রকল্প পাওয়ার কথা থাকলেও তারা বঞ্চিত হচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর উপহার আশ্রয়ণ প্রকল্প থেকে। আশ্রয়ন প্রকল্প পাওয়ার জন্য অনেক অসহায়দের দিতে হয়েছে মোটা অংকের টাকা। সূত্রে জানা গেছে, শ্রীমঙ্গল উপজেলার পি ও আই মোঃ কামাল দীর্ঘ ১৩ বছর যাবত শ্রীমঙ্গল উপজেলা কর্মকর্তার দায়িত্বে আছেন, এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে তিনি এবং পিওন মোঃ নজরুল আশ্রয়ণ প্রকল্প নির্মাণে অনিয়ম, অবহেলা ও দুর্নীতি করেছে। তারা আশ্রয়ণ প্রকল্প নির্মাণে নিন্ম মানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার করেছেন। শুধু তাই নয় শ্রীমঙ্গল উপজেলা শহরের বাড়ি আছে মোঃ জাকির পরিবারকেও তারা দুটি ঘর প্রদান করেছেন। বর্তমানে জাকির সেই ঘর দুটি ভাড়া দিয়েছেন বলেও জানা গেছে। সরকার প্রকল্পে অনিয়ম, অবহেলা ও দুর্নীতির বিষয়ে কঠোর অবস্থান নেয়ার পরেও কিভাবে উপজেলা কর্মকর্তারা এমন অপকর্ম করে? এ বিষয়ে শ্রীমঙ্গল উপজেলা কর্মকর্তা মোঃ কামালের সাথে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তিনি ফোন রিসিভ করেনি।

Leave A Reply

Your email address will not be published.