২৪ ঘন্টাই খবর

কালকিনিতে বীরমুক্তিযোদ্ধার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ।

কালকিনিতে বীরমুক্তিযোদ্ধার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ

 

রাকিব হাসান, মাদারীপুর।

 

মাদারীপুরের কালকিনিতে একই সঙ্গে এক বীর মুক্তিযোদ্ধার প্রতিষ্ঠিত দুটি শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানের জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে আজ মঙ্গলবার দুপুরে মাদ্রাসা হলরুমে এক

প্রতিবাদে সভা করেছেন ওই দুটি শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা। এ নিয়ে

ওই এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগ ও সরেজমিন সুত্রে জানাগেছে, উপজেলার ডাসার এলাকার

কমলাপুর গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী নুরুল ইসলাম নিজ অর্থায়নে এলাকার মানুষের স্বার্থে তার নিজ গ্রামে কমলাপুর

এতিমখানা এবং ইসলামী কমপ্লেক্স বীরমুক্তিযোদ্ধা কাজী নুরুল ইসলাম নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় নামে দুটি প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত করেন। কিন্তু পুর্ব শত্রুতার জেরে ডাসার ইউপি চেয়ারম্যান কাজী সবুজের নেতৃত্বে ওই এলাকার কাওসার কাজীসহ বেশ কয়েকজন মিলে কিছু দিন ধরে এ দুটি শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানের জমি জোরপুর্বকভাবে দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছেন। তাদের দখল চেষ্টার ঘটনায় বাঁধা দিলে স্কুল ও ইতিমখানা ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা এবং

কর্মচারীদের সাথে খারাপ আচারনসহ হুমকি প্রদান করে চলছে ইউপি চেয়ারম্যান কাজী সবুজ।কমলাপুর এতিমখানা এবং ইসলামী কমপ্লেক্স প্রধান শিক্ষক ছালাম মাতুব্বর ও বীরমুক্তিযোদ্ধা কাজী নুরুল ইসলাম নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাগর মাতুব্বর বলেন, বিনা কারনে চেয়ারম্যান

কাজী সবুজ ও কাওসার কাজী মিলে আমাদের দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের

জমি দখলের পায়তারা চালিয়েছে। আমরা প্রতিবাদ করায় আমাদের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হুমকি প্রদর্শন করা হচ্ছে। এমতাবস্থায় প্রশাসনের কাছে উক্ত জমি রক্ষার জন্য আকুল আবেদন জানাচ্ছি।অভিযুক্ত কাওসার কাজীর চাচা মালেক কাজী বলেন, স্কুল ও ইতিমখানার

জমির মধ্যে আমাদেরও জমি আছে। আমাদের কাগজপত্র আছে।এ বিষয় জানতে চাইলে অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান কাজী সবুজ সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।উপজেলার ডাসার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ হাসানুজ্জামান হাসান বলেন, আমরা

জেনেছি ইউপি চেয়ারম্যান সবুজ কাজী নিজেই অবৈধভাবে প্রতিষ্ঠানের জমি দখলের চেষ্টা করতেছে। এবং কি এতিম ছাত্রদের হুমকি দিতেছে। অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মেহেদী হাসান বলেন, আমরা লিখিত অভিযোগ পেলেই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

Leave A Reply

Your email address will not be published.