২৪ ঘন্টাই খবর

কমলগঞ্জের জনপ্রিয় সফল মেয়র জুয়েল আহমেদ

মোঃ ফয়জুল ইসলাম আরিফ :

কমলগঞ্জ উপজেলার তৃণমূল থেকে উঠে আসা একজন জনপ্রিয় সফল মেয়র হলেন মোঃ জুয়েল আহমেদ। মৌলভীবাজার জেলার অন্যতম উপজেলা হিসেবে রয়েছে কমলগঞ্জ। ২০১৫ সালে এই উপজেলায় আওয়ামী লীগ এর সভানেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মোঃ জুয়েল আহমেদ কে কমলগঞ্জ পৌরসভার মেয়র হিসেবে নির্বাচন করার জন্য মনোনয়ন প্রদান করেন। ২০১৫ সালে মোঃ জুয়েল আহমেদ নৌকার মাঝি হয়ে বিপুল ভোটের ব্যবধানে কমলগঞ্জ পৌরসভার মেয়র হিসেবে নির্বাচিত হন। তিনি মেয়র হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর কমলগঞ্জ পৌরসভায় বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করেন। তার এই উন্নয়নমূলক কার্যক্রম সম্পাদনার মাধ্যমেই আজ কমলগঞ্জ পৌরসভা উন্নয়নের রোল মডেল হয়ে উঠেছে। মেয়র মোঃ জুয়েল আহমেদ অন্যায়, অত্যাচার, অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠিন ভূমিকা পালন করেছেন। কমলগঞ্জ পৌরসভাকে মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত করেছেন এই সফল মেয়র। চলাচলের অযোগ্য অনেক রাস্তা ঠিক করাসহ বিভিন্ন স্থানে কালভার্ট তৈরী করে তা চলাচলের যোগ্য করেছেন এই জনপ্রিয় মেয়র। স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের কাছ থেকে জানা গেছে তাদের মন্দির ও শ্মশান নির্মানের জন্য মেয়র জুয়েল আহমেদ তার নিজের পৈতৃক সম্পত্তি বিক্রি করেও মন্দির ও শ্মশানের জন্য হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকদের অর্থ সহায়তা করেছেন। এলাকাবাসীরা বলেন, তিনি একজন মাটির মানুষ, খুব সহজেই সবার সাথে মিশে এবং সকলের সাহায্য করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেন মেয়র মোঃ জুয়েল আহমেদ। তার সাথে কাজ করা সকল নেতাকর্মিদের খোঁজও তিনি নিয়মিত রাখেন, কোন কর্মি তার সাথে একদিন দেখা করতে না পারলেও তিনি ফোন করে তার খোঁজ নেন বলে জানা গেছে। করোনার এই মহামারিতে তিনি জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিটি ওয়ার্ডে প্রতিটি ঘরে ঘরে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিয়েছেন। তার সকল কর্মিদেরকেও সর্বোচ্চ সহায়তা তিনি করেছেন। তাই সবাই তাকে একজন পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ ও একজন সফল মেয়র বলে থাকেন। প্রতিনিধির সাথে মেয়র মোঃ জুয়েল আহমেদ এর সাক্ষাতকারে বলেন, আমি জনগনের দোয়ায় ও তাদের ভোটে পরপর দুইবার নির্বাচিত হয়ে তাদের সেবা করার সুযোগ পেয়েছি। আমি আমার সর্বোচ্চ দিয়েই জনগনের সেবা করতে চাই, তাদের পাশে থেকে তাদের সেবা করেই আমার বাকি জীবনটা কাঁটাতে চাই। এর জন্য যদি আমার ভিটে বাড়িও বিক্রি করতে হয় আমি তাও করতে প্রস্তুত। আমি মেয়র হিসেবে বেঁচে থাকতে অন্তত আমার এলাকার কাউকে অনাহারে দিন কাটাতে দেবো না। মেয়র মোঃ জুয়েল আহমেদ এর রাজনৈতিক জীবন সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি ছাত্র রাজনীতি থেকে আওয়ামী লীগ এর রাজনীতি করে আসছি। সকলের ভালোবাসায় ছাত্রলীগ থেকে যুবলীগ এবং বর্তমানে কমলগঞ্জ পৌরসভার মেয়র হিসেবে রয়েছি। জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালি করতে এবং ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে আমি দিনরাত কাজ করে যাচ্ছি এবং ভবিষ্যতেও যাবো ইন-শা-আল্লাহ।

Leave A Reply

Your email address will not be published.