২৪ ঘন্টাই খবর

হবিগঞ্জে স্কুল কমিটির সভাপতিকে ২শ পিস ইয়াবা ,অস্ত্র ও নারী দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টার ষড়যন্ত্র ফাঁস! এলাকায় বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

হবিগঞ্জে স্কুল কমিটির সভাপতিকে ২শ পিস ইয়াবা ,অস্ত্র ও নারী দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টার ষড়যন্ত্র ফাঁস! এলাকায় বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছ

মোঃ জাফর ইকবাল হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি।।

হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার দীঘল বাক সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি’র সভাপতি রুহেল মিয়া নামের এক ব্যক্তিতে পূর্ব শত্রুতার জেরধরে যুক্তরাজ্য প্রবাসী একই গ্রামের আলমগীর সরকার নামের কথিত প্রভাবশালী কর্তৃক ও তার বাহিনী দ্বারা ২শ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট,অস্ত্র সহ নারী কেলেঙ্কারির মিথ্যা ষড়যন্ত্র মামলা দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টার গভীর ষড়যন্ত্রের ঘটনা ফাঁস হয়েছে৷ এ ঘটনায় ষড়যন্ত্রের শিকার রুহেল মিয়া নামের ব্যক্তি বাদী হয়ে দুষ্কৃতকারীদের বিরুদ্ধে নবীগঞ্জ থানায় সাধারণ ডায়েরী ও লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন৷
লিখিত অভিযোগে উল্লেখ ও স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, উপজেলার দীঘলবাক ইউনিয়নের দীঘল বাক গ্রামের হাজী আরজু মিয়ার পুত্র ও দীঘলবাক সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি’র সভাপতি রুহেল মিয়ার সাথে একই গ্রামের মৃত সুলেমান সরকারের পুত্র যুক্তরাজ্য প্রবাসী মোঃ আলমগীর সরকারের পূর্ব বিরোধ চলে আসছিল৷ এরই জেরধরে নিরপরাধ যুবক রুহেল মিয়াকে ফাঁসাতে নানা কৌশল অবলম্বন করেন যুক্তরাজ্য প্রবাসী আলমগীর সরকার নামের ব্যক্তি ও তার লোকজন৷ একপর্যায়ে
কতিপয় দুষ্কৃতিকারী চক্রের সাথে আতাঁত করে চুক্তির মাধ্যমে রুহেল মিয়া ও তার লোকজনকে ফাঁসাতে ২শ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, অস্ত্র ও নারী কেলেঙ্কারির মিথ্যা সাজানো নাটক বানিয়ে মামলার ফয়সালা করেন, তবে একটি কথায় আছেনা, রাখে আল্লাহ মারে কে? এই কথার আবারো বাস্তব প্রমাণিত হলো৷ ভাগ্যক্রমে
এঘটনার মোবাইল ফোন রেকর্ড ফাঁস হয়ে যায়, এতে ঘটনার মোড় নেয় অন্যদিকে৷ এনিয়ে এলাকার ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা ও তুলপাড় সৃস্টি হয়৷ ঘটনার প্রেক্ষিতে এলাকার স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আবু সাঈদ এওলা মিয়ার সভাপতিত্বে গত ১ জুন মঙ্গলবার দুপুরে দীঘলবাক বাজারে এক সামাজিক বিচার বৈঠক বসে৷ এতে উপস্থিত ছিলেন এলাকার সামাজিক রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ সহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার সহস্রাধিক জনতা৷ উল্লেখিত ঘটনায় সামাজিক বিচারে যুক্তরাজ্যে প্রবাসী মোঃ আলমগীর সরকারের ষড়যন্ত্রে মাদক,অস্ত্র দিয়ে ও নারী কেলেঙ্কারির মাধ্যমে রুহেল মিয়াকে ফাঁসানোর চেষ্টার কল রেকর্ড মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সাউন্ড বক্স ব্যবহার করে উপস্থিত সামাজিক বিচারকগন শুনেন,এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিরা তাদের দোষ স্বীকার করেন, পরে সামাজিক বিচারের রায়ে দোষী সাবস্তক্রমে প্রবাসী আলমগীর সরকার ও তার বাহিনীর লোকজন হাতজোড় করে ক্ষমা প্রার্থী হলে তাদেরকে ক্ষমা করে দেন এবং ভবিষ্যতে এধরনের কুকর্মের সাথে জড়িত থাকলে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা সহ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের সিদ্ধান্ত হয়৷
এর পরপরই আলমগীর সরকার ঘটনাটি বিচার সালিশে নিষ্পত্তির পরেই আবারো বেপরোয়া হয়ে উঠেন,তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক সহ বিভিন্ন মাধ্যমে পঞ্চায়েতের লোকজনকে হেনেস্তা ও মানহানি করিতে নানা অপপ্রচার ও হুমকি ধামকি দেয়া শুরু করেন বলে গুরুতর অভিযোগ উঠে এবং তড়িৎগতিতে তিনি দেশত্যাগ করেন৷ এ ঘটনায়
এলাকায় সচেতন মহলের লোকজনের মধ্যে আবারো বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃস্টি হয়৷
এঘটনায় নবীগঞ্জ থানার ইনাতগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির এস,আই শাজাহান গতকাল মঙ্গলবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন, এব্যাপারে তার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন তদন্ত মোতাবেক প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে৷ অপরাধী যেই হোক আইনের উর্ধ্বে কেহ নন৷

 

Leave A Reply

Your email address will not be published.