২৪ ঘন্টাই খবর

হাকালুকি হাওরের বৃক্ষ নিধন এলাকা পরিদর্শনে পরিবেশ অধিদপ্তর

মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধিঃ
মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন হাকালুকি হাওরের মালাম বিলের দক্ষিণ-পূর্ব পাশের খাসজমি থেকে জলজ বৃক্ষ নিধনের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন পরিবেশ অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় পরিচালক মোহাম্মদ এমরান হোসেন।
রোজ শনিবার (২৬ জুন) দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত তিনি মালাম বিল এলাকায় ইজারাদার কর্তৃক অবৈধভাবে নির্মিত বাঁধ ও নির্বিচারে হিজল, করচ, বরুণসহ প্রাকৃতিকভাবে বেড়ে ওঠা গাছ কেটে ফেলার স্থান গুলো ঘুরে দেখেন। এসময় তার সাথে ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তর মৌলভীবাজারের সহকারী পরিচালক মো. বদরুল হুদা, বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর হোসেন সরদার, তালিমপুর ইউপি পরিষদ চেয়ারম্যান বিদ্যুৎ কান্তি দাস, বর্ণী ইউপি পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সাহাব উদ্দিন ও হাকালুকি জাগরণী ইসিএ ব্যবস্থাপনা বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি, সম্পাদক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
পরিবেশ অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় পরিচালক মোহাম্মদ এমরান হোসেন বলেন, সরেজমিনে পরিদর্শন করে কোন প্রজাতির গাছ কাটা হয়েছে এগুলো দেখেছি। পরিবেশের যে ক্ষতি হয়েছে তা কিভাবে পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়া যায় তার একটা পরিমাপ করলাম আমরা। এতে জরুরী ভিত্তিতে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পরিবেশের ক্ষতির সাথে জড়িত যেই হোক প্রচলিত আইনে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং ইজারাদার ইজারা বাতিল হওয়ার বিষয়টি ইংগিত করেন।
প্রসঙ্গত, গত মে মাসের শেষ দিকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন হাকালুকি হাওরের মালাম বিলের দক্ষিণ-পূর্ব পাশের খাসজমির হিজল-খরচ-বরুণসহ নানা প্রজাতি এবং প্রাকৃতিকভাবে জন্মানো প্রায় ২০ হাজার জলজ গাছ কেটে অবৈধ বাঁধ নির্মাণ করে ইজারাকৃত জলমহালের লোকজন। এ ঘটনায় গত ২১ জুন পরিবেশ অধিদপ্তর মৌলভীবাজার কার্যালয়ের পরিদর্শক নজরুল ইসলাম জলজ বৃক্ষ নিধনে সম্পৃক্ত ৭ ব্যক্তির নাম উল্লেখ ও আরও ১৫-২০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে পরিবেশ সংরক্ষণ আইন এবং প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ব্যবস্থাপনা বিধিমালায় বড়লেখা থানায় মামলা করেন।

Leave A Reply

Your email address will not be published.