২৪ ঘন্টাই খবর

সন্ত্রাসী হামলায় গুরুতর আহত যুবলীগ নেতা ইফতেখার আলম অপু

বিশেষ প্রতিনিধি :
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কঠোর দিকনির্দেশনায় দেশ এগিয়ে যাচ্ছে উন্নয়নের পথে। সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, মাদক কারবারিদের ধরে ঢোকানো হচ্ছে শোধনাগারে। বড় বড় রাঘব বোয়ালরাও হচ্ছে খাচাঁয় বন্দি। কোন প্রকারে সুপারিশ বা তদবীরেও কাজ হচ্ছে না অপরাধের কারনে। ইতিমধ্যে সমসাময়িক প্রেক্ষাপটে নানাবিধ কর্মকান্ডে বহু খুঁটিগাড়া শিকড় গজানো অনুপ্রবেশকারী হাইব্রিড দলীয় নেতা কর্মী শ্রীঘড়ে ঢুকে মুক্তির প্রহর গুনছে। কাউকেই রেহাই দেওয়ার প্রয়াস নেই জননেত্রী শেখ হাসিনার ডাইরিতে। হিংসাত্মক তৎপরতা নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে মরিয়া হয়ে নানা তৎপরতার কর্মকান্ড করে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার পায়তায় যাঁরাই লিপ্ত হয়েছে, দেশ জনতা সমাজ রাষ্ট্রের কল্যানে আইনি শাস্তি থেকে মুক্তি মেলেনি কারোই। ইতিপূর্বে কালের সাক্ষী হয়েছে দেশ ও দেশের বাইরের মানুষ। তাঁরা দেখেছে খোঁদ বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগকে কিভাবে ঢেলে সাজানো হয়েছে। যাঁদেরকে ঢেলে সাজানো হয়েছে তাদের প্রতি কড়া নির্দেশ রয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। কোন প্রকার দুর্নীতি সন্ত্রাসী চাঁদাবাজ মাদক ব্যাবসায়ী কাউকেই ছার দেওয়া হবে না। কিন্তু থেমে নেই বিএনপি জামাত অনুপ্রবেশকারী হাইব্রিডদের কর্মকান্ড। তারা ঘটিয়ে চলেছে একের পর এক অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। বর্তমানে যারা জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার কাজে লিপ্ত বা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে বলিয়ান হয়ে দেশ সমাজ ও জাতির স্বার্থে কাজ করে চলেছে তাদের উপর চলছে দমন নিপিড়ন সন্ত্রাসী হামলা মামলা ও প্রান নাশের প্রচেষ্টা। এমনই এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনা সন্ত্রসীরা ঘটিয়েছে দক্ষিণখান থানা এলাকায় পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে। ঘটনার সুত্রে জানা যায় ইফতেখারুল আলম অপু একজন তরুন উদীয়মান যুবলীগ নেতা। তিনি অন্যায়ের ব্যাপারে কোন আপোষ নয় নীতিতে চলা সক্রিয় যুবলীগ কর্মী। বর্তমানে দক্ষিণখান ইউনিয়ন যুবলীগের ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসাবে দায়িত্বরত থেকে মানুষিক ও সামাজিক ভাবে নিজেকে নিয়োজিত করে গুরুত্ব সহকারে উন্নয়নমূলক কার্যক্রম ও কর্মকান্ডে নিজেকে জরিয়ে রেখেছেন। এবং সচ্ছতার সহিত রাজনীতি করে চলেছেন। তার ভিতরে রয়েছে মা বাবার সঠিক শিক্ষা, জননেত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ, এছাড়া তার রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে যিনি রয়েছেন মহা কান্ডারীর ভূমিকায় তিনি তো যেনতেন ব্যাক্তি নন। বাগেরহাট ২ আসনের এম পি জনতার নেতা শেখ পরিবারের রাজনীতির পরবর্তী পথ প্রদর্শক যুব সমাজের অহংকার তারন্যদিপ্ত চেতনার অগ্রপথিক রাজনৈতিক পরিবারের শিক্ষা দিক্ষায় তীরন্দাজ শেখ সারহান নাসের তন্ময়। এবং রাজনীতির মাঠে যার পিতা তূল্য ভালবাসায় ও আশির্বাদে নিজেকে তিলে তিলে গড়ে তুলেছেন তিনি ঢাকা ১৮ আসনের এম পি হাবিব হাছান। এই মহান দুই আদর্শবান ব্যাক্তির স্নেহআশিষ ইফতেখারুল আলম অপুর সামাজিক অবস্থান নস্যাৎ করতে জীবনের তরে এই পৃথিবীর বুক থেকে সরিয়ে দিতে হাইব্রিড অনুপ্রবেশকারীদের মুখোশ উন্মোচন করতে গিয়েই গুরুতর সন্ত্রাসী হামলার শিকার হন। খোঁজ নিয়ে জানা যায় গত ২২/৫/২০২১ ইং উক্ত এলাকার চিহ্নিত সঙ্ঘবদ্ধ সন্ত্রাসী মাজহারুল ইসলাম, খোকন (৪৭) পিতা আব্দুল মালেক, মোমিন ফয়সাল(৪৫) পিতা আব্দুল হালিম, আবির হোসেন (৪৬) পিতা মৃত আলী হোসেন, ইয়াসির আরাফাত সাদ্দাম, (৩০) পিতা মৃত ইয়াকুব আলী, কবির হেসেন, (৪৮) পিতা আব্দুর রাজ্জাক, দ্বয় সহ আরো অনেকে নানা কৌশলে ইফতেখারুল আলম অপুর বড় ধরনের ক্ষতি সাধনের পায়তারায় লিপ্ত হইয়া বদ মতলবের উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য দক্ষিণখান হালিম মার্কেট এলাকায় সন্ত্রাসী মোমিন ফয়সাল ফোন করে আসার জন্য অনুরোধ করলে সরল মনে ইফতেখারুল আলম অপু রাত ৮,১৫ মিনিটে সেখানে পৌঁছালে উল্লেখিত সন্ত্রাসীরা হালিম মার্কেটের আলমের সাইনবোর্ডের দোকানে জোর পূর্বক ঢুকাইয়া এলোপাতাড়ি ভাবে মারধর কিল ঘুষি মারতে থাকে সন্ত্রাসীদের দুইজন সহযোগী অপুর হাত ধরে রাখলে বাকি সন্ত্রাসীরা তাদের হাতে থাকা লোহার রড ও চাপাতি দিয়ে মাথা সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুপিয়ে মারাত্মকভাবে রক্তাক্ত জখম করে। এমন কি এঙ্গেল দিয়ে উপর্যুপরি পিটানো সহ শেষ নিশ্বাস ত্যাগে নিশ্বাস ত্যাগের অপেক্ষা করতে থাকে। অপুর আত্ব চিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। তাকে দ্রুত শহীদ আহসান উল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে অপুর শরীরের মাথা সহ বিভিন্ন যায়গায় পনের বিশটি সেলাই করা সহ বিভিন্ন চিকিৎসা দেওয়ার পর অবস্থার উন্নতি না হলে তাকে ঢাকা পিজি হাসপাতালে পাঠানো হয়। পুরা এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজমান হলে ত্যাতক্ষনাৎ ঘটনা ছড়িয়ে পড়ে। অপুকে দেখতে দ্রুত ছুটে আসেন যুব সমাজের প্রানের স্পন্দন বাগেরহাট ২ আসনের সাংসদ সারহান নাসের তন্ময় সহ ঢাকা ১৮ আসনের সাংসদ হাবিব হাছান। ও বিভিন্ন নেতা কর্মীরা। এসময়ে তারা অপুর চিকিৎসার খোঁজ খবর নেওয়া সহ অতীব দ্রুত সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে বলেন প্রশাসনকে। এ বিষয়ে দক্ষিণখান থানায় মামলা নং ৩২ তাং ২৩/০৫/২১ করা হয়। যাহার ধারা ১৪৩/৩০৭/৩২৩/৩২৬/৫০৬/ পেনাল কোর্ড ১৮৬০ রুজু করা হয়। উল্লেখিত মামলায় ১ ও ২ নং আসামি প্রশাসনের নজর এড়িয়ে বহাল তবিয়তে ঘুড়ে বেড়াচ্ছে। এবং ইফতেখারুল আলম অপুকে মামলা তুলে না নিলে প্রাননাশের হুমকি ধামকি দেওয়া অব্যহত রেখেছে। অতীব দ্রুত এসব ভয়ংকর সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় আনতে না পারলে আরো মারাত্মক ঘটনা ঘটতে পারে বলেও অনেকে মত প্রকাশ করেছে। এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই নিরস্ত্র আব্দুল আজিজ কতৃক ধৃত আসামী জুয়েল সকল তথ্য সন্ত্রাসী কাজে লিপ্ত থেকে সহায়তাকারী সিসি টিভি ফুটেজে তাকে দেখা গেছে। ঘটনাস্হলে থাকা সত্তেও মুচলেকায় তাকে কেন ছারলেন তা বোধগম্য নয়। দক্ষিণখান থানার (ওসি) যদিও জানিয়েছেন আমরা এ ঘটনায় জড়িতদের বিচারের আওতায় আনতে সক্ষম হব। কাউকেই ছার দিব না। সুষ্ঠু তদন্ত করে আসামিদের বিরুদ্ধে কঠোরতার পরিচয় দিয়ে তাদের আইনি শাস্তির ব্যবস্থা করে ইফতেখারুল আলম অপুর প্রতি যে নৃশংস তান্ডব চালানো হয়েছে তার বিচার পাওয়ার আশায় তাকিয়ে রয়েছে তার পরিবার। এমন ঘৃন্য মনোভাবাপন্ন সন্ত্রাসীরা পার পেয়ে না যায় এমন আশঙ্কা এলাকাবাসীর।

Leave A Reply

Your email address will not be published.