২৪ ঘন্টাই খবর

মাদারীপুরে সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ ইউপি সদস্যে ও চোকিদারের বিরুদ্ধে। 

মাদারীপুরে সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ ইউপি সদস্যে ও চোকিদারের বিরুদ্ধে।

 

মাদারীপুর প্রতিনিধি।

 

মাদারীপুর সদর উপজেলার দুধখালী ইউনিয়নে প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে ইউপি সদস্য ও চোকিদারের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার (২৪মে) মাদারীপুর সদর উপজেলার চরমুগরিয়া-শ্রীনদী রুটে দুধখালী ইউনিয়নের দর্জিবাড়ি ব্রীজ সংলগ্ন মেইন রোডে এ ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে উপজেলা প্রশাসন অবৈধভাবে কাটা গাছের গুড়িগুলো জব্দ করেছে।

 

সদর উপজেলার দুধখালী ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের মেম্বার শরাফউদ্দিন চৌকিদার ও হালিম চোকিদার (দফাদার)সহ তার সহযোগিরা সরকারি গাছ কেটে নেওয়ার ঘটনা ঘটিয়েছে বলে জানিয়েছেন স্হানীয়রা।

 

স্হানীয় নাসির জমাদ্দারসহ একাধিক ব্যক্তি জানান, সড়কের দুপাশে সরকারিভাবে গাছ রোপন করা হয় এবং এখানে মসজিদের পার্শে ছায়ানীড় পরিবেশের স্বার্থে এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সবুজ বাংলা গড়ার লহ্মে আমরাও এলাকার আরো জনগন মিলে কিছু গাছ লাগিয়েছি। মিঠাপুর গ্রামের ৭নং ওয়ার্ডের মেম্বার শরাফউদ্দিন চৌকিদার ও হালিম চোকিদারসহ তার দলবল নিয়ে এর আগেও এই রাস্তা হতে অনেক গাছ কেটে নিয়েছে তারা। স্হানীয় জনসাধারণ এদের ভয়ে কেহ কথা বলতে পারে না। কেহ কথা বলতে চাইলে তাকে মামলার ভয় দেখায় এবং উপর মহলের অনুমতি আছে বলে একের পর এক পরিবেশ বান্ধব গাছ নিধন করে এরা। এখান থেকেও তারা বড় দুইটা মেহগনি গাছ আজ কেটে ফেলে যার মুল্য কম করে হলেও এক লহ্ম্য টাকা হবে। আর এভাবেই সরকারি গাছ কাটে তারা। তখন তাদের নিষেধ করলেও তারা শোনে না। আমরা এসব বনদশ্যুদের বিরুদ্ধে ব্যবস্হা নেওয়ার জন্য সরকারের কাছে বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি।

 

দুধখালী ভুমি অফিসের তোশিলদার আলেয়া বেগমকে বিষয়টি অবগত করা হলে তিনি তাৎহ্মনিকভাবের ঘটনাস্হলে উপস্হিত হন। এবং তিনি নিজেও হালিম চোকিদার ও শরাফউদ্দিন মেম্বারকে সেখানে দেখতে পান এবং কাটা গাছগুলোে জব্দ করেন এবং বিষয়টিকে উপর মহলে জানাবেন বলে উপস্থিত জনগনকে আস্বাস্হ করেন।

 

এ বিষয় দুধখালী ইউনিয়ন ৭নং ওয়ার্ডের সদস্য শরাফউদ্দিন মেম্বার ও হালিম চোকিদারের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তারা ফোন রিসিভ করে নাই।

 

দুধখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিরু খানের সাথে বিষয়টি নিয়ে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

 

তবে এ ব্যাপারে সদর উপজেলার ইউ এনও সাইফুদ্দিন গিয়াসকে একাধিকবার কল দিলেও তাকে পাওয়া যায়নি


Leave A Reply

Your email address will not be published.