২৪ ঘন্টাই খবর

মুন্সীগঞ্জের মিরকাদিমে তিন’শ পরিবার পানিবন্ধি, দূভোর্গ চরমে।

মুন্সীগঞ্জের মিরকাদিমে তিন’শ পরিবার পানিবন্ধি, দূভোর্গ চরম

 

আবু সাঈদ দেওয়ান সৌরভ: মুন্সীগঞ্জে সদর উপজেলার মিরকাদিম পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের রামগোপাল পুর, বনিক্য পাড়া, ছৈয়ালবাড়ির প্রায় ৩০০শ পরিবার পানিবন্ধি। সামান্য বৃষ্টি হলেই ৩০০শ পরিবারের সদস্যদের ময়লা-আবর্জনা ও দূগন্ধ যুক্ত পানির সাথে যুদ্ধ করতে হয়। এক ঘন্টা বৃষ্টি হলেই কোন জায়গায় হাটু আবার কোথাও কোমর পযন্র্Í পানি জমে চরম দর্ূভোগ সৃষ্টি করে। কোমর পর্যন্ত ময়লা-দূগন্ধযুুক্ত পানি জমার কারণে শিশুদের স্বাস্থ্য ঝুুকিঁর পাশাপাশি পানিতে পড়ে জীবন নাশের সম্ভবনা সৃৃষ্টি হয়েছে। প্র্রথম শ্রেনীর পৌরসভা হলেও এ ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের পৌর সেবা শূর্ন্য। প্রায় সারাবছর ৩নং ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের ময়লা-আবর্জনা আর দূগন্ধ যুক্ত পানির ভোগান্তি সহ্য করতে হয়। বষার্ মৌসুম এলে ভোগান্তি বেড়ে যায় শত গুন। নিবার্চন এলেই জনপ্রতিনিধিদের কথার ফুলঝুড়ি ছুটলেও নিবার্চন শেষে আর কোন খবর থাকে না। পৌরসভা ও জেলা সদরের বিভিন্ন স্থানে অভিযোগ করেও কোন প্রতিকার পাওয়া যায়নি। গতবছর মুন্সীগঞ্জ ৩ আসনের সংসদ এডেভোকেট মৃণাল কান্তি দাস ৩নং ওয়ার্ডের এমন দূর্দশা স্বশরীরে পর্যবেক্ষন করে যান এবং ভোগান্তি দূর করার আশ্বাস দেন। এছাড়াও ৩নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা রাজিব হোসেন গতবছর ভোগান্তির চিত্র তুলে ধরে মুুন্সীগঞ্জ ৩ আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস এর সুপারিশসহ মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলা নিবাহর্ী অফিসার ও জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করেও কোন প্রতিকার পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে ৩নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা আরিফ হোসেন জানান, সারাবছর আমাদের ময়লা পানির সাথে যুদ্ধ করতে হয়। বৃৃষ্টির মৌসুম এলে ভোগান্তি আর দর্ূৃভোগের শেষ থাকে না। আমাদের অভিযোগ জন প্রতিতনিধিদের আশ্বাস পর্যন্তই আটকে থাকে। সমস্যার সমাধান আর হয় না।

এই ওয়ার্ডের আরেকজন বাসিন্দা রাজিব হোসেন জানান, আসলে এই জলবদ্ধতার মূল কারণ নয়ণের খাল দখল ও আবর্জনা এবং খালের উপর অবৈধ স্থাপনা। কিছু অসাধূ লোক গরুর খামার বানিয়ে ও খালের উপর স্থাপনা তৈরি করে খালটাকে অকেজো করে ফেলেছে। এছাড়াও আবর্জনার কারনে এ সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। সাবেক মেয়র, নিবাহর্ী অফিসার, জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করেও কোন প্রতিকার পাইনি।

৩নং ওয়ার্ডের নবনিবার্র্চিত কাউন্সিলর আক্তার চৌধুরী বলেন, কাজ করানোর মতো অর্থ আমাদের পৌরসভার ফান্ডে নেই। আজকে এই বিষয়ে পৌরসভায় মেয়র সাহেবের সাথে আলোচনা হয়েছে। ইতিমধ্যে মেয়র সাহেবের ব্যক্তিগত খরচে লোক দিয়ে কাজ করানো হচ্ছে। আগামীকাল থেকে পৌরসভার লোক কাজ করবে।

এ বিষয়ে নবনিবার্চিত মেয়র হাজী আবদুস সালাম জানান, আমি মাত্রই নিবার্চিত হয়েই বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে কাজ শুরু করেছি। এই বিষয়ে আজকে সিদ্ধান্ত হয়েছে। আগামীকাল থেকে জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ শুরু হবে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.