২৪ ঘন্টাই খবর

আ.লীগের ত্যাগী কর্মীদের মূল্যায়ন নেই -মোঃ জাহাঙ্গীর আলম

মোঃ কামরুল হাসান রনি :

দলের ত্যাগী কর্মীদের মূল্যায়ন করার সময় এসেছে এখন, তাই দলের ত্যাগী কর্মীদের সঠিক মূল্যায়ন করার স্বার্থে আজ আমরা দলের একজন ত্যাগী কর্মী ৫০ বছরের ত্যাগ ও রাজনীতির বিবরণ শুনবো। মোঃ জাহাঙ্গীর আলম রাজনৈতিক ব্যক্তি থেকে শুরু করে উত্তরার সর্বস্তরের জনগণের প্রানপ্রিয় মানুষ।

দৈনিক আজকের আলোকিত সকাল পত্রিকার প্রতিনিধি কে তিনি বলেন, ‘বাঁশের লাঠি তৈরী করো, ভুট্টুর মাথায় বারি মারো’ এই স্লোগান দিয়েই শুরু হয়েছে আমার রাজনৈতিক জীবন। আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শে লালিত হয়ে টাঙ্গাইলের ভুয়াপুর গোপালপুরের এমপি আলহাজ¦ হাতেম তালুকদারের হাত ধরে রাজনীতি শুরু করি। ১৯৮৮ সনে ভাতের অভাবে আমি টাঙ্গাইল থেকে ঢাকায় আসি। আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে স্ব-ইচ্ছায় যোগদান করতাম। তৎকালীন সময়ে ঢাকা-৫ আসনের বৃহত্তর উত্তরা থানাআওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক আলহাজ¦ মোহাম্মদ হাবীব হাসান বর্তমানে ঢাকা-১৮ আসনের মাননীয় এমপি’র হাত ধরেই আমি উত্তরায় রাজনীতিতে আসি। পরবর্তীতে বৃহত্তর উত্তরা থানা কৃষকলীগ এর সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে আমি নির্বাচিত হয়েছিলাম। ৮৯-৯০ স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের মধ্য দিয়ে যার ত্যাগের দিন গুলো শুরু হয় তৎকালীন প্রশাসন এর উপস্থিতিতে সরকার দলীয় ক্যাডারদের রামদা, বল্লমের আঘাতে মাথায় ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে রক্তাক্ত হয়ে দীর্ঘ ৩ মাস চিকিৎসা নিতে হয়েছে। ক্ষত শুকিয়ে গেলেও সে দাগ মুছে যায়নি তবুও বঙ্গবন্ধুর আদর্শ থেকে কখনো পিছুপা হই নাই এক বিন্দুও। ততকালীন আমাদের অনেক রাজনিতিবিদ হয়তো বিরোধী দল কর্তৃক আমাকে অত্যাচারের কাথা ভুলেই গেছে, কারন সেতো অনেক বছর আগের কথা।

৯৬ সনের ১৫ ই ফেব্রুয়ারি বি, এন, পি’র একতরফা নির্বাচন প্রতিহত করতে গিয়ে প্রশাসনের গুলির মুখে মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা পেলেও অনেক নির্যাতনের শিকার হয়েছি। ২০০১ নৌকা মার্কার নির্বাচনী অফিসে ভোটার স্লিপ প্রদানের সময় নির্বিচারে প্রশাসনের বিশেষ বাহিনীর হাতে অমানুষিক নির্যাতন সহ্য করতে হয়েছে। বৃহত্তর উত্তরার ৭৫ শতাংশ মানুষ আজও তা ভুলে নাই। এখানেই শেষ নয়, নির্বাচন এর পরবর্তী কয়েকটি বছর বিভিন্ন হয়রানী ও মিথ্যা মামলায় জরিত করার কারনে কারাভোগ করা থেকেও রেহাই মেলেনি, বহু কনকনে শীতের রাত কেটেছে এ বাড়ী থেকে অন্য বাড়ী, কিন্ত শীতের লেপ গরম হয় নাই।

২০০৬ সনে ২৮ শে অক্টবর বি,এন,পি জামাত জোট কর্তৃক যত গুলো মামালা উত্তরা থানা দক্ষিণখান ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে হয়েছে তার প্রতিটা মামলাতেই আমাকে আসামী দিতে মোটেও ভুল করেনি তৎকালীন ক্ষমতাসীন দল। তিনি আরো বলেন, আমি নেতা হতে চাই না চাই শুধু মানুষের সেবা করতে। বঙ্গবন্ধুর আদর্শেকে বুকে ধারন করে বঙ্গবন্ধু কন্য জননেত্রী দেশরত্ন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কর্মী হিসেবে মুল্যায়িত হতে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.