২৪ ঘন্টাই খবর

ভোলায় ইউপি সদস্য’র রোষানলে কয়েকটি পরিবার

স্টাফ রিপোর্টার :
ভোলা সদর উপজেলা রাজাপুর ইউনিয়ন ৯ নং ওয়ার্ড শ্যামপুর গ্রামে হেলাল মেম্বার এবং আনিসলাম রাঢ়ীর নেতৃত্বে রাতের অন্ধকারে মামলার বাদী আনোয়ার গাজীর বাড়িঘরে বোমা মেরে উড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ সূত্রে এলাকাবাসী কাছ থেকে জানা যায় হেলাল মেম্বার ও আনিসলাম রাঢ়ীর নেতৃত্বে, আবু তাহের দেওয়ান, নিজাম দেওয়ান, হাসিব, রহিম, আরো অনেকে মিলে একটি দল বেঁধে রাতের অন্ধকারে আনোয়ার গাজীর বাড়িঘর ভাঙচুর করে এবং বোমা মারে। এ ব্যাপারে আবুল কালাম এর সাথে যোগাযোগ করে জানা যায়, সন্ধ্যা পর থেকে রাত ২ টা পর্যন্ত তাদের বোমার শব্দ আমরা ঘর ছেড়ে ফালিয়ে থাকি, আনোয়ার গাজীর স্ত্রীকে গত ১৮/ ৪/২০২১ইং সকাল ১১ টার সময় আনিসলাম রাঢ়ী রাস্তায় প্রকাশ্যে ব্যাপক মারধর করে, এই নিয়ে আনোয়ার গাজী বাদী হয়ে ভোলা সদর মডেল থানায় আনিসলাম রাঢ়ী রহিম আবু তাহলে সহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে যার নং জি আর ৩৫/ মামলার পর থেকে আনোয়ার গাজীকে বাড়িঘর ভেঙ্গে এবং মামলা উঠিয়ে নেওয়ার হুমকি এবং বাড়িঘর বোম মেরে উড়িয়ে দেওয়ার প্রাণনাশের হুমকি ধামকি দিতে থাকে, এই যদি হয় তাহলে আমরা এলাকাবাসী কিভাবে এলাকায় বসবাস করবো।
এ ব্যাপারে মামলার বাদী আনোয়ার গাজী জানান গত ১৩/৫/২০২১ইং তারিখে বৃহস্পতিবার ৩০ রমজান সন্ধ্যা ক্লোজার বাজার তালেবের হোটেলের ভিতর থেকে মামলার প্রধান আসামি আনিসলাম রাঢ়ী কে ভোলা সদর মডেল থানার এসআই রঞ্জিত গ্রেপ্তার করে আদালতে চালান দেয়। এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা ইউনুস এই ঘটনার সাক্ষী দেওয়ার কারণে রহিম, আবু তাহের সহ, আরো অনেকে মিলে তাকে রাস্তার থেকে তুলে নিয়ে ইউনুসের বুকে মেরে ফেলাবে বলে ছুরি ধরে এবং কিল ঘুষি মেরে রক্তাক্ত অবস্থা করে সর্বশেষ ইলিশা জংশন বাজারের পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র এসআই ফরিদ ইউনূসকে উদ্ধার করে, ভোলা সদর হাসপাতালে পাঠায়।
সুস্থ হয়ে এই ঘটনার বিচার না পেয়ে ইউনুস ভোলা সদর মডেল থানায় বাদী হয়ে হেলাল মেম্বার এর সুযোগ্য পুত্র হাসিব কে প্রধান আসামি, আনিসলাম রাঢ়ী, আবু তাহেরসহ, কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে, যার নং জিআর ৪৫/ ইউনুস আরো জানান তারা এখন আমাদের বাড়িঘর এবং বোমা মেরে উড়িয়ে দেওয়ার একের পর এক বোম মারতে থাকে ও মামলা উঠিয়ে নেওয়ার জন্য হুমকি-ধামকি দিচ্ছে।
এ ব্যাপারে খোকন মের্দা কাছ থেকে জানা যায় এদের অপকর্মের বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুললে মিথ্যা মামলা দিয়ে জেলহাজত খাটানোর অনেক অভিযোগ আছে ও ইয়াবা ব্যবসায়ী বানিয়ে দেয়। অথচ তারা নিজেরে ইয়াবা ডিলার এবং কিছুদিন আগে মিন্টু দেওয়ানকে ১৮০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে পাঠায় পুলিশ। শফিক খান জানান এদের অপকর্মের বিরুদ্ধে প্রায় এক ডজন খানিক মামলা থাকা সত্ত্বেও কিভাবে আইনের থেকে বেরিয়ে আসে এবং হেলাল মেম্বার আনিসলাম রাঢ়ীর হাতে ৯ নং ওয়ার্ডের সাধারণ জনগণ জিম্মি করে রাখে।
এদের অন্যের জমিন আত্মসাৎ দুর্নীতি ছাগল চুরি ইয়াবা ব্যবসাসহ নানান অপকর্মের বিরুদ্ধে স্থানীয় পত্রিকা দৈনিক ভোলা বাণী, দৈনিক ভোলা টাইমস, জাতীয় দৈনিক আজকের আলোকিত সকাল পত্রিকা সহ নিউজ হয়েছে বলে জানা যায়। এ ব্যাপারে মামলার বাদী ও এলাকাবাসী প্রশাসনের কাছে দ্রুত এদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি করেছেন।

Leave A Reply

Your email address will not be published.