২৪ ঘন্টাই খবর

মদ খেয়ে মাতলামি, এলাকাবাসী অতিষ্ট

মদ খেয়ে মাতলামি, এলাকাবাসী অতিষ্ট

 

কোরবান আলী তালুকদার: টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় মদ খেয়ে মাতলামি করে বেড়ায় মদখোরেরা। এলাকার মানুষ চুপচাপ শুধু দেখেই যান ৷ এগিয়ে যে প্রতিবাদটা করবেন, সে সাহস করতে পারে না কেউ-ই৷ এলাকার দু একজন সাহস করলেও তার কপালে জুটে চড়, থাপ্পর আর খারাপ খারাপ গালিগালাজ। কিছু কিছু মদখোর মদ খেয়ে বাড়িতে গিয়ে স্ত্রী সন্তানদের সাথেও খারাপ ব্যবহার শুরু করে। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মনোমালিন্য প্রকট আকার ধারণ করে। এরা মদ খেয়ে স্ত্রীর সঙ্গে পতিতার মত আচরন করতে থাকে। অনেকেরই আবার ডিভোর্স হয়ে যায়।

 

গাবসারা ইউনিয়নের পুংলিপাড়া এক ব্যক্তি বলেন, ইদানিং মদখোরের মাত্রা বেড়ে গেছে। প্রায় প্রতিদিনই একদল লোক মদ খেয়ে মাতলামি করে। না করলে তো মানেই না বরং উল্টো গালিগালাজ শুরু করে। এরা রাস্তা দিয়ে যাওয়া মা-বোনদের খারাপ ভাষায় গালিগালাজ করে। অনেক সময় মদখোরেরা উলঙ্গ হয়েও চলাফেরা করে। আমরা প্রসাশনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

 

গোবিন্দাসী টি মোড়ের এক ব্যক্তি বলেন, মদখোরদের মাও-বোন বলে কিছু নাই। মদ খেয়ে মুখে যা আসে তাই বলে গালিগালাজ করে। পুলিশের ভয় দেখালে তারা বলে, পুলিশ আমাদের পকেটে থাকে। আমাদের ধরে কোন পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারবে? টাকা দিলে সব সমস্যার সমাধান হয়ে যায়। কারণ, আমাদের বড় বড় নেতা আছে।

 

খানুরবাড়ী ঘাট মসজিদের মুসল্লিরা অভিযোগ করে বলেন, এলাকায় মদ খোরের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলছে। এদের মদ খাওয়ার সময় অসময় নেই। অনেক সময় নামাজ আদায় শুরু হলে মদ খেয়ে মাতলামি শুরু করে এবং খারাপ গালিগালাজ করে। এতে নামাজে বিঘ্ন ঘটে। তারা আরো বলেন, তাদের (মদখোর) ব্যবহার ও গালিগালাজের কারণে এমনিতেই মানুষ অতিষ্ট হয়ে গেছে তার ওপর আবার সামনে রমজান মাস। তাদের এই মদ খাওয়া অব্যাহত থাকলে রোজাদার ও নামাজি ব্যক্তিদের অনেক সমস্যা হবে।

 

এ প্রসঙ্গে ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আব্দুল ওহাব জানান, কোন ব্যক্তি যদি মদ ও মাদক সেবন করে তবে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। মদ ও মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অভিমান চলছে এবং তা অব্যাহত থাকবে ।

Leave A Reply

Your email address will not be published.