২৪ ঘন্টাই খবর

গফরগাঁও উপজেলার হাতিখোলা গ্রামে মাহবুবুল আলম মাদ্রাসা ও এতিম খানার ব্যাপক সুনাম!

রাহিমা আক্তার মুক্তা :
মানব সেবা একটি মহৎ কাজ, দুনিয়া ও আখিরাতের কথা চিন্তা করে এলাকার দুঃস্থ অসহায় এতিম শিশুদের প্রতি পালন চিকিৎসা এবং শিক্ষা প্রদানের মাধ্যমে মানব সম্পদে পরিনত করার লক্ষ্যে ময়মনসিংহ জেলাস্থ গফরগাঁও উপজেলার হাতিখোলা গ্রামে মাহবুবুল আলম এতিমখানা ও মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করে বাংলা সাহিত্য ইতিহাসের লেখক প্রফেসার মাহবুবুল আলম একটি মাদ্রাসা ও এতিমখানা প্রতিষ্ঠা করে। যার রেজিষ্ট্রশন নং-ম-০১৭০৬, ১১/০৫ ২০০৯খ্রিঃ এখানে নুরানী ও হাফেজিয়া শিক্ষা প্রদান করা হয়। বর্তমান এখানে ৬৫ জন শিক্ষার্থী আছে। এর মধ্যে প্রায় ৫০ জন ছাত্র রয়েছে অত্যন্ত গরীব অসহায় ও এতিম। খোজ নিয়ে জানা যায় ওই মাদ্রাসার বর্তমান সভাপতি মোফাজ্জেল হোসেন এর সুদক্ষ নেতৃত্বে উক্ত এতিমখানা ও মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে অন্য পর্যন্ত সার্বিক বিবেচনায় প্রতিষ্ঠানটি এলাকায় ব্যাপক সুনাম অর্জন করেছে। এই প্রতিষ্ঠান হতে শতশত অসহায় এতিম শিশু সু-শিক্ষা অর্জন করছে। আরও জানা যায় উক্ত মাদ্রাসার পরিচালক মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান সাঈদ বিগত ১০ বছর যাবৎ প্রতিষ্ঠানটির কল্যাণে নিঃস্বার্থভাবে দিন রাত শ্রম দিয়ে যাচ্ছেন। তিনি দ্বায়িত্বভার গ্রহণের পরে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে অক্লান্ত শ্রমের বিনিময়ে এবং বিভিন্ন আর্থিক সহায়তার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি আজ ভবনে রূপান্তর হয়েছে। দৈনিক আজকের আলোকিত সকাল পত্রিকার বিশেষ প্রতিনিধি তানভীর আহাম্মেদ অনুসন্ধান করে জানতে পারে, এখানে সমাজসেবা অধিদপ্তর হতে সরকারী ক্যাপিটেশন গ্রান্ট সহায়তা পায় মাত্র ০৯ জন। কিন্তু অসহায় গরীব ছাত্র রয়েছে প্রায় ৬৫ থেকে ৭০ জন। যার ভরন-পোষন সহ সকল প্রকার দায়িত্ব বহন করছে মাদ্রাসা কর্তৃকক্ষ। এই স্বল্প টাকা অসহায় এতিম ছাত্রদের খরচ চালতে হিমশিম খেতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন এতিমখানা কর্তৃপক্ষ। তারা ক্যাপিটেশন গ্রান্ট সহায়তা প্রদান বৃদ্ধির লক্ষ্যে সমাজসেবা অধিদপ্তর এর সু-দৃষ্টি কামনা করেছেন। উক্ত এতিমখানার সভাপতি জনাব মোফাজ্জেল হোসেন আলােকিত সকালের বিশেষ প্রতিনিধিকে বলেন, এখানে দুনিয়ার শান্তি ও আখেররাতের মুক্তির জন্য পবিত্র কুরআন হেফজো ও পবিত্র কুরআন ও হাদিসের সঠিক শিক্ষা প্রদান করা হয়। আমাদের এই প্রতিষ্ঠান এলাকায় দুঃস্থ অসহায় এতিম শিশুদের প্রতিপালন এবং পবিত্র কুরআন ও হাদীস শিক্ষা প্রদানের মাধ্যমে মানব সম্পদে পরিনত করে এলাকায় ব্যাপক। তাছাড়াও প্রফেসর মাহবুব আলম একজন মহৎ মানুষ ছিলেন, তার রচিত বই বাংলা সাহিত্যর ইতিহাস, যেটা না পড়লে অনেক কিছুই অজানা থেকে যেত। মৃত প্রফেসর মাহবুব আলম বড় মনের মানুষ ছিলেন, তার উদ্যোগে এই মাদ্রাসা ও এতিমখানা গড়ে উঠেছে। তার এই মহৎ কাজের জন্য তার প্রতি আমরা শ্রদ্ধা জানাই।

Leave A Reply

Your email address will not be published.