২৪ ঘন্টাই খবর

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে হেযবুত তওহীদের উপর আজ সন্ধ্যায় ধর্মব্যবসায়ী উগ্রবাদী গোষ্ঠীর সন্ত্রাসী হামলা।

সাখাওয়াত হোসেন মানিক:

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে হেযবুত তওহীদের উপর আজ সন্ধ্যায় ধর্মব্যবসায়ী উগ্রবাদী গোষ্ঠীর সন্ত্রাসী হামলা। সাতজ গুরুতর আহত। মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে দুইজন। 

 

এ পর্যন্ত প্রাপ্ত খবরে জানা গেছে, লুটপাটের পর হেযবুত তওহীদের সদস্যদের উপর অকথ্য নির্যাতন চালানো হয়েছে। হামলাকারীদের গ্রেফতারপূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

 

অবশেষে আমাদের আশঙ্কাই সত্যে পরিণত হলো। গত কয়েকদিন থেকে তারা একটি রক্তক্ষয়ী ঘটনা ঘটানোর জন্য ওই এলাকায় মিথ্যা হ্যান্ডবিল বিতরণ করছিল। বিষয়টি দ্রুত থানাকে জানালে উল্টো তারা থানায় গিয়ে প্রকাশ্যে হুমকি দিয়ে এসেছে রক্তের গঙ্গা বইয়ে দিবে। “খেলাফত যুব মজলিস নাসিরনগর থানা” নামের একটি ফেসবুক গ্রুপে হামলার প্রকাশ্য উসকানি দেওয়া হয়েছে।

 

এমন ন্যাক্কারজনক ঘটনা যে ঘটবে সেই আশঙ্কা করে ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে থানায় গিয়ে জিডি করা হয়েছে, এসপি ও ডিসি বরাবর স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে। এমনকি স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের সামনেও বিষয়টির ভয়াবহতা তুলে ধরা হয়েছে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী কোনো কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি, ফলে মাত্র তিন দিন আগে বাধ্য হয়ে কোর্টে নিরাপত্তা চেয়ে সাত ধারা করা করা হয়েছে। কোর্ট ওই উগ্রবাদী গোষ্ঠীকে ডেকে সতর্কও করে দিয়েছিল। কিন্তু কে শোনে কার কথা? তাদের আস্ফালন এতদূর পর্যন্ত বেড়ে গিয়েছে যে, আইন-আদালতের তোয়াক্কা তারা করে না।

 

হেযবুত তওহীদের নির্দোষ সদস্য, শুভ্র শশ্রুমণ্ডিত বয়োবৃদ্ধ ইদ্রিস আলী ও তার পরিবারের উপর রাতের অন্ধকারে চতুর্দিক থেকে হামলা চালানো হয়েছে। আমরা কি স্বাধীন সার্বভৌম দেশে বাস করছি? নাকি কোনো মগের মুল্লুকে বাস করছি? এই দেশ, এই সমাজ ধীরে ধীরে কোন দিকে যাচ্ছে?

 

হেযবুত তওহীদের সদস্যদের উপর এই ন্যাক্করজনক সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা জানাই। অবিলম্বে হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই। এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে সারা দেশে উঠুক প্রতিবাদের ঝড়।

 

*হামলায় কারা কারা নেতৃত্ব দিয়েছে পরবর্তীতে বিস্তারিত জানাচ্ছি।

#আসুন সিস্টেমটাকে পাল্টাই; Let’s change the system

Leave A Reply

Your email address will not be published.