২৪ ঘন্টাই খবর

নওগাঁয় ধর্ষনের বিষয় ৪ বার মীমাংসা করতে না পেরে বর্তমানে ৯ মাসের গর্ভবতী 

হাবিবঃ
নওগাঁ জেলার ধামুইরহাট উপজেলার আগড়াদ্বীগুন কাউটি গ্রামে এক গৃহবধুকে কৌশলে বাড়ীতে কাজের উদ্দ্যেশে ডেকে নিয়ে ছেলেকে দিয়ে ধর্ষন করিয়েছে এক লম্পট বাবা। মীমাংসার জন্য তাল-বাহানা করে ছেলেকে ভারতে পাঠিয়েছে তার বাবা।
স্থানীয় সুত্রে জানা যায়,
প্রায় ৯ মাস পুর্বে কাউটি গ্রামের জলিলের মেয়ে বিয়ে, পার্শবর্তী পাড়ার একরামুলের বাড়ী থেকে অনুষ্ঠান করে। সেই সুবাদে কাজের জন্য রাজিয়া সুলতানা নামের এক গৃহবধুকে জলিল বার বার তাগিদ দেয়। সে অসুস্থতার কারনে যেতে রাজি না হলে একরামুল নিজে গিয়ে বিভিন্ন ভাবে তাগিদ দিয়ে তার বাড়ীতে নিয়ে যায় এবং কাজ করতে লেগে দেয়। বিয়ের অনুষ্ঠান শেষে, একরামুল ও তার স্ত্রী রাতে তাকে তার বাড়ী থাকতে বলে। সে রাতে সেখানে থাকার পর,পরের দিন শনিবার সকাল অনুমান ৯টার সময় ঘরের মধ্য থালা-বাসন ঠিক করতে লাগলে একরামুলের ভারতে বসবাস করা লম্পট ছেলে আলামীন পিছন থেকে ঝাপটে ধরে, চিৎকার দিলে লম্পট আলামীন বলে, কেউ কিছু বলবে না,সম্মান তোমার যাবে,আমি তো ভারতে চলে যাবো। এরপর তাকে ধর্ষন করে কাহকে জানালে, মেরে ফেলে ভারতে চলে যাবে বলে হুমকি দেয়। এরপরও সে দিন পার্শবর্তী জলিলকে ঘটনা খুলে বলে। সে শাসন করবে বলে,তাকে অন্য কাহকে ঘটনাটি বলতে নিষেধ করে। পরের মাসে জলিলকে বলে, মনে হয় পেটে বাচ্ছা এসেছে, জলিল বাজার থেকে বাচ্চা নষ্ট করার ঔষধ ও কিনে দেয়। তাতেও কাজ না হলে, জলিল বলে সামনে মাসে দেখা যাবে। একরামুলকে ঘটনাটি জানালে, সে একটা ভালো সুরাহা করে দেবে বলে জানায়। এভাবে মাসের পর মাস যেতে লাগলে, এক সময় ঘটনাটি গ্রাম-বাজার সকলে জানতে পারিলে, কয়েক দফায় আপোষ-মীমাংসায় বসে। কিন্তু একরামুল বার বার বলে, তার ছেলে অকারন করেছে,তার ছেলেকে ধরে নিয়ে আসো। কিন্তু সে নিজেই তার ছেলেকে ভারতে পাঠিয়েছে। তাই তাকে বলে,তুমিই তোমার ছেলেকে নিয়ে আসো। এভাবে একরামুল তাল-বাহানা করতে থাকলে এক সময় ঢাকায় থাকা তার স্বামী বিষয়টি জানতে পেরে গৃহবধুর সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। গৃহবধু রাজিয়া সুলতানা দুটো ছেলে মেয়ে নিয়ে অসহায় হয়ে পরে। রাজিয়া সুলতানা জানায়, সে ধামুইরহাট থানায় মামলা করতে গেলে,একরামুল তাকে মাসে ১৬ টাকা ও ২৫ কেজি চাল দিতে চেয়ে ভুলিয়ে-ভালিয়ে গ্রামে নিয়ে এসে সেটাও দেয় না। রাজিয়া জানায়,ডাক্তার তাকে সময়মত ঔষধপত্র খেতে বলেছে,একদিকে তার ঘরেচাল নেই,অন্যদিকে ঔষধপত্রও খেতে পারছেনা। ডাক্তার, বলেছে আর মাত্র ২২ দিনের মাথায় বাচ্চা হওয়ার সম্ভাবনা আছে। একরামুল রাজিয়াকে বিভিন্ন লোকজন দিয়ে হুমকি দিচ্ছে বাচ্চাটি নষ্ট করে দেওয়ার জন্য। নইলে দু,জনকে মেরে ফেলবে বলে হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। রাজিয়া সুলতানা বর্তমানে খুবই নিরাপত্তা হীনতায় আছে বলে জানায়।  এ বিষয়ে ইউ,পি চেয়ারম্যান ছালেহ উদ্দীন আহম্মেদ এর সাথে মোবাইল ফোনে কথা হলে তিনি ঢাকায় চিকিৎসার জন্য আছেন,ফিরে এসে বিষয়টি দেখবেন বলে জানান।ধামুইর থানার ওসি মোবাইল ফোনে জানান, এধরনের অভিযোগ এখনো কেউ দেয় নাই। থানায় লিখিত অভিযোগ দিলে, আমরা আইনগত ব্যাবস্থা অবশ্যই নেওয়া হবে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.