২৪ ঘন্টাই খবর

ভোলায় নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উদযাপিত

মোঃ সাইফুল ইসলাম আকাশ : ভোলা যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্য পরিবেশের মধ্যে ভোলা জেলার বিভিন্ন উপজেলায় উদযাপিত হয়েছে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ। 
নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ভোলায় ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উদযাপিত হয়েছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন এর মধ্যে দিয়ে উদযাপন করা হয় ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ।সকালে জেলায় জেলা প্রশাসক,পুলিশ সুপার,ভোলা সরকারি কলেজের অধ‍্যক্ষ‍ প্রফেসর গোলাম জাকারিয়া এবং বিভিন্ন উপজেলায় সকল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা,জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগ,যুবলীগ,ছাত্রলীগ সহ সর্বস্থরের জনগণ শ্রদ্ধা নিবেদন করেবিস্তারিত :রোববার (৭মার্চ) সকালে জেলা প্রশাসক চত্বর ও জেলার বিভিন্ন উপজেলা পরিষদ চত্বরে, জেলা আওয়ামীলীগ ও তার সহযোগী অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ ,বিভিন্ন উপজেলা আওয়ামীলীগ অফিসে বঙ্গবন্ধু প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। পরে জেলা এবং  উপজেলা প্রশাসন সহ বিভিন্ন উপজেলায় আওয়ামীলীগ অফিসে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। 
ভোলা জেলায় বিভিন্ন কর্মসূচিতে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন করেন জেলা প্রশাসক মোঃ তৌফিক-ইলাহী চৌধুরী, পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার,ভোলা সরকারি কলেজের অধ‍্যক্ষ প্রফেসর গোলাম জাকারিয়া, সিভিল সার্জন ডাঃ সৈয়দ রেজাউল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আবদুল মমিন টুলু, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মোশাররফ হোসেন, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম গোলদার, সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল ইসলাম, সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো. ইউনুস, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রায়হান আহমেদ,সাধারন সম্পাদক হাসিব মাহমুদ হিমেল প্রমুখ ,বোরহানউদ্দিন উপজেলায়  প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ গ্রহন করেন জনাব সাইফুর রহমান,পৌর মেয়র আলহাজ্ব মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার ভূমি মোঃ সোয়াইব আহমেদ, এছাড়াও লালমোহন, তজুমউদ্দিন, দৌলতখান, চরফ‍্যাশন, মনপুরা উপজেলায় বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহন করেন উপজেলা প্রশাসন, বিভিন্ন উপজেলার আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ।
 এসময় বক্তরা বলেন আজঐতিহাসিক ৭ই মার্চ। বাঙালি জাতির স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা অবিস্মরণীয় গৌরব উজ্জ্বল একটি দিন।  বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এক উত্তাল জনসমুদ্রে বাংলাদেশের জনগণের অধিকার আদায়ের ন্যায্য দাবি তুলে ধরেন এ ভাষণের মাধ্যমে।
বাংলাদেশ নামক স্বাধীন রাষ্ট্রের বয়স ৫০ বছর। সময়ের বিবর্তনে অনেক কিছুই কালের গর্ভে হারিয়ে গেছে। বিকৃতির নিকৃষ্ট ষড়যন্ত্রের আবহে বদলে ফেলার চেষ্টা হয়েছে স্বাধীনতার অনেক ইতিহাস। কিন্তু এ ৫০ বছরে অনেক কিছুই বদলে গেলেও বদলানো যায়নি শুধু ২২ মিনিটের বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক সেই ভাষণটি।বিশ্বের মধ্যে এই একটি মাত্র ভাষণ, যা যুগের পর যুগ, বছরের পর বছর, ঘণ্টার পর ঘণ্টা বেজে চলেছে কিন্তু ভাষণটির আবেদন এতটুকু আজো কমেনি। বরং যখনই প্রজন্মের পর প্রজন্ম এই ঐতিহাসিক ভাষণটি শ্রবণ করেন, তখনই তাদের মানসপটে ভেসে ওঠে স্বাধীনতার গৌরবগাথা আন্দোলন-সংগ্রামের মুহূর্তগুলো, আত্মপ্রত্যয়ী হয়ে ওঠে দেশপ্রেমের আদর্শে।পরে অতিথিবৃন্দ বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।

Leave A Reply

Your email address will not be published.