২৪ ঘন্টাই খবর

ভোলার চর বৈরাগ্য’র ভূমিদস্যু বেলায়েত বাহিনীর নির্যাতনে অতিষ্ঠ চরের সাধারণ জনগণ

মোঃ ফরিদুল ইসলাম : 
ভোলা সদর উপজেলাধীন চর বৈরাগ্য বেলায়েত বেপারীর বিরুদ্ধে দুর্নীতি চাঁদাবাজি এবং বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এ ব্যাপারে চরের সাধারণ মানুষ জানান চরে সরকার গরীব অসহায় মানুষের জন্য যেই গুচ্ছগ্রাম দিয়েছে সাধারণ মানুষকে সেই অসহায় মানুষের কাছ থেকে প্রত্যেকটা ঘরের বাবদ বেলায়েত নিয়েছে টাকা।
 এবং এই বেলায়েত চরের মুদি দোকানদার বিল্লাল জসিম সহ আরো কয়েকজনকে দিয়ে চরের অসহায় মানুষের কাছ থেকে চাঁদা কালেকশন করে এবং এই বেলায়েত বাহিনীর হাতে কতটা হয়রানির শিকার হচ্ছে, চোরের শত শত সাধারণ জনগণ চরে অসহায় সাধারণ মানুষ গরু, মহিষ পালতে হলে দিতে হয় তাকে চাঁদা, চাঁদার টাকা না দিলে শুরু হয়ে যায় সাধারণ মানুষের উপর নির্যাতন।
 বৈরাগ্য চরের বেলায়েত বেপারী ব্যাপারে কেঁচো খুঁড়তে গিয়ে বের হয়ে আসে অজগর সাপ তিনি শুটকি আওলা থেকে হঠাৎ কোটিপতি কেমনে কি? চোখ রাখুন জাতীয় দৈনিক আজকের আলোকিত সকাল পত্রিকায়।
এ ব্যাপারে গত ১৮/২/২০২১ ইং তারিখে চর বৈরাগ্য বেলায়েত ব্যাপারীর বিরুদ্ধে সকল ধরনের দূর্নীতি-অনিয়ম চাঁদাবাজিসহ সকল ধরনের অভিযোগ পাওয়ার পরে দৈনিক আজকের আলোকিত সকাল পত্রিকায় নিউজ প্রকাশিত হয়।
 তিনি ২০ শে ফেব্রুয়ারি দৈনিক আজকের ভোলা পত্রিকায় নিজে সাধু সেজে সংবাদের প্রতিবাদ দিয়েছেন এ ব্যাপারে বেলায়েত ব্যাপারীর চাঁদাবাজি দূর্নীতি-অনিয়ম শেষ কোথায় আসছে পত্রিকার পাতায়।
গুচ্ছগ্রামের সরকারের দেওয়া ঘর টাকা ছাড়া পাচ্ছে না সাধারণ জনগণ, মোহাম্মদ জামাল মাস্টার ২৫ টি ঘর দেওয়ার কথা বলে ৫০ হাজার টাকা দিয়েছে রুহুল আমিন হাওলাদার ২০ টি ঘর দেওয়ার কথা বলে ৪০ হাজার টাকা হক সাহেব ২১ টি ঘর দেওয়ার কথা বলে ৪১ হাজার টাকা সহ আরো অনেক মানুষের মাধ্যমে এ টাকা গুলো নিয়েছেন বেলায়েত বেপারী এবং তার বাহিনী দিয়ে অসহায় মানুষের কাছে একাধিক মানুষ জানান প্রত্যেকটা গুচ্ছগ্রামের ঘর থেকে ২ হাজার ৪ হাজার টাকা করে নিয়েছে তারা।
এ ব্যাপারে ঘটনাটি গভীর ভাবে জানতে চাইলে বেরিয়ে আসে মদনপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মহম্মদ নান্নু এবং ২ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্যসহ আরো অনেকেই টাকার ভাগে সাথে জড়িত এসব চাঁদার টাকা থেকে চেয়ারম্যান থেকে শুরু করে ইউপি সদস্য পর্যন্ত দিতে হয়। এ ব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যান নান্নু সাহেবের সাথে কথা বললে তিনি জানান পাশাপাশি ৫ টি চরে গুচ্ছগ্রাম দিয়েছে সরকার চরে বেলায়েত বেপারীর মাধ্যমে লিস্ট গুলো করা হয়েছে তিনি টাকা পয়সা নিয়েছে কিনা আমি সেটা জানি না।
অথচ চরের সভাপতি সাথে কথা বলে তিনি জানান সকল সবকিছুর ভাগ ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার থেকে শুরু করে চেয়ারম্যান পর্যন্ত দিতে হয়, এবং সভাপতির বক্তব্য অনুযায়ী বোঝা গেল ওই চরের মহিষ মালিক গরুর মালিক এবং সাধারণ মানুষ যে কতটা জিম্বি এই বেলায়েত বাহিনীর কাছে সেটা আর বুঝার বাকি নেই।
এ ব্যাপারে আরো জানা যায় বেলায়েত বাহিনীর বিরুদ্ধে আরো বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ও উঠেছে, এই বেলায়েত বেপারী ভোলার নেতাদের নাম ভাঙ্গিয়ে চরের নিরীহ চাঁদার টাকা না দিলে সাধারণ মানুষের উপর থেমে থেমে চালাচ্ছে এই নির্মম নির্যাতন।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত বেলায়েত ব্যাপারীর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান আমি চর নিয়ন্ত্রণ করি ঠিক আছে আমি আছি আমাদের একটা গ্রুপ নিয়ে। চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অনিয়মের বিষয়গুলো বললে তিনি আমাদের কাছে এড়িয়ে যান।
ভূমিদস্যু বেলায়েত বাহিনীর হাত থেকে বাঁচার জন্য প্রশাসনের কাছে হস্তক্ষেপ কামনা করেছে সাধারণ জনগণ।
(দ্বিতীয় ফলোআপ)

Leave A Reply

Your email address will not be published.