২৪ ঘন্টাই খবর

পবিত্র চাঁদ রাতের ইতিহাস  

পবিত্র চাঁদ রাতের ইতিহাস

তুষার আহাম্মেদ – ঈদ মানে আনন্দ, যা ঘুরে ঘুরে প্রতি বছরই আসে। মুসলমানদের দুটি ঈদ। পবিত্র ঈদুল ফিতর এবং ঈদুল আজহা। নবীজি (সা.) বলেন, প্রত্যেক জাতির উৎসব আছে, আমাদের উৎসব হলো এই দুই ঈদ।

 

রমজানের এক মাস সিয়াম সাধনার পর ঈদের আনন্দের বার্তা নিয়ে পশ্চিমাকাশে উঁকি দেয় হিলাল। তাই ঈদের সঙ্গে নতুন চাঁদের সম্পর্ক সুনিবিড়। ‘হিলাল’ অর্থ নতুন চাঁদ, যা বাংলায় ‘হেলাল’ হিসেবে বেশি উচ্চারিত হয়। ‘হিলাল’ হলো ১ থেকে ৩ তারিখের চাঁদ। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘তোমরা চাঁদ দেখে রোজা রাখো, চাঁদ দেখে রোজা ছাড়ো, ইফতার করো বা ঈদ করো।’

 

রমজানের রোজার শেষে পহেলা শাওয়াল ঈদুল ফিতর বা রমজানের ঈদ। শাওয়ালের চাঁদরাত হলো ঈদের রাত। ইসলামে যে রাতগুলো ইবাদতের জন্য এবং ফজিলতে পরিপূর্ণ থাকে সেসবের মধ্যে অন্যতম এই ঈদের রাত। চাঁদরাতের প্রথম সুন্নত ও ফরজে কিফায়া আমল হলো সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গে চাঁদ দেখা। চাঁদ দেখলে বা চাঁদ দেখার সংবাদ নিশ্চিত হলে দোয়া পড়া সুন্নত।

 

ইসলামের ইতিহাসে প্রথম ঈদ পালন করা হয় দ্বিতীয় হিজরি বর্ষের বদরের বিজয়ের ১৩ দিন পর পহেলা শাওয়াল, যা ছিল প্রথম ঈদুল ফিতর বা রোজার ঈদ উদ্‌যাপন। একই বছর মদিনার সুদখোর মহাজন ইহুদি বনুকাইনুকা সম্প্রদায়কে নিরস্ত্র করার পর ১০ জিলহজ প্রথমবারের মতো ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ পালন করা হয়।

Leave A Reply

Your email address will not be published.