২৪ ঘন্টাই খবর

অনলাইন পেজের নামে ভয়েজ কালেকশনের প্রতারণা  

অনলাইন পেজের নামে ভয়েজ কালেকশনের প্রতারণা

 

সালমান হাসান, স্টাফ রিপোর্টার, মুন্সিগঞ্জ

 

অনলাইন পেজের নামে প্রতারণা বেড়েই চলেছে হরহামেশা এই প্রতারণা দিন দিন সোশ্যাল মিডিয়াতে চলেছে তারই একটি নাম ভয়েস কালেকশন।

 

ভয়েস কালেকশনের নামে ফেসবুক পেজ থেকে প্রতিনিয়ত লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে এক দালাল চক্র।

 

তাদের না আছে কোন নির্দিষ্ট অফিস কিংবা নির্দিষ্ট কোন শোরুম না নির্দিষ্ট কোন মার্কেটে দোকান । বিভিন্ন কাস্টমারকে বিভিন্ন মার্কেটের নাম দেখিয়ে মার্কেটিং করে চলেছে এই ভয়েস কালেকশনের পেইজের এক দল প্রতারক চক্র।

 

তারা তিন থেকে চারজন লোক একত্রিত হয়ে কেউ নাম দেয় কুরিয়ার সার্ভিস কেউ ফোন দেয় বস কেউ ফোন দেয় কাস্টমার সেন্টার কেউবা ডেলিভারি ম্যান এইভাবে তারা প্রতারণা করছে প্রতিনিয়ত জনসাধারণ মানুষের সঙ্গে।

 

প্রতারণার মূল হাতিয়ার যে ফোন নাম্বার,০১৭৫৪৭৮৮২৮৬-০১৮১০৭৫৯৫৪৫,

প্রথম গ্রামীণ নাম্বার টি ব্যবহার করে পার্সোনাল বিকাশ বলে এবং দ্বিতীয় রবি নাম্বারটি কুরিয়ার সার্ভিস ম্যান হিসেবে ব্যবহারিত করে থাকে ভয়েস কানেকশনের প্রতারণা চক্রের সদস্যরা।

 

ভয়েস কালেকশন এর মূল সিস্টেম, দুটি প্রোডাক্ট কিনলে একটি প্রোডাক্ট ফ্রি, লোভ দেখিয়ে প্রোডাক্টের হোম ডেলিভারি ঢাকার মধ্যে ৫০ টাকা, ঢাকার বাইরে ১২০ টাকা।

 

এক দিন পরে তাদের আর এক সদস্য ফোন দেয়, কাস্টমারকে ফোন আলাপে বল আমি ভয়েস কালেকশন থেকে ভেলিভারি ম্যান বলছি, আপনার প্রোডাক্ট আসছে অফিসে কনফার্ম করতে হবে যোগাযোগ করেন। বাকি টাকা পরিশোধ করতে হবে, কাস্টমার অফিসে ফোন দেয়, কাস্টমারকে বল ভাই কন্ডিশনে পাঠিয়েছি বাকি টাকা বিকাশ করতে হবে।

 

আপনি কোরিয়ার সার্ভিস এর সাথে যোগাযোগ করুন, তাদের আর এক সদস্য কোরিয়ার সার্ভিস ম্যান বলে ফোন আলাপে, ভাই কন্ডিশনে পাঠিয়েছে টাকা দিলে মাল পৌঁছে দেব আমাদের কিছু করার নেই, টাকা দিলে কোন সমস্যা নেই মাল পছন্দ না হলে সম্পূর্ণ টাকা আমি ফেরত দেবো। কুরিয়ার সার্ভিসের নাম জিজ্ঞেস করা হলে বলে কন্টিনেন্টাল কুরিয়ার সার্ভিস এর পরিচয় দেয়, আবারো অফিসে যোগাযোগ করলে ফোনা আলাপে বলে ভাই টাকা দেন কোন সমস্যা নেই এ কথা বলে কাস্টমার সেন্টার থেকে।

এমন করে ভয়েস কালেকশনের দুই তিন সদস্যের সংগে কথা বলে কাস্টমার বিভ্রান্তি মধ্যে পরে প্রথম টাকা দিলাম আবারও টাকা দিলাম আবার কন্ডিশনের টাকা দিলাম তারপর আবার সিকিউরিটি মানির টাকা দিতে হবে।

 

এমন অবস্থায় কাস্টমার বলে আমার টাকা রিটার্ন করে, তখন তাদের প্রতারণার কথা বের হয়ে আসে মুখ থেকে। তাদের কাছে বেশি জিজ্ঞেসা বাদ করলে বলে ভাই কন্ডিশনে পাঠিয়েছে টাকা দিয়ে নিতে হবে না হলে আমাদের কিছু করার নেই, বেশি জিজ্ঞেস করলে গালাগালি পর্যায়ে যায় ভয়েস কালেকশনের দুই জন দালাল সদস্য।

 

প্রোডাক্ট এর দাম ৭০০ টাকা কন্ডিশনের ৮০০ টাকা সিকিউরিটি মানি ১০৫০ টাকা।

“যখন দালাল চক্র দুটি প্রোডাক্ট ৭০০ করে ১৪০০ টাকা নেয় প্রোডাক্টের দাম, পড়ে কন্ডিশনের ৮০০ টাকা নেয়, অতঃপর দালাল চক্রের সদস্যরা বলে কন্দিশনের ১০৫০ টাকা না দিলে প্রোডাক্ট দেওয়া হবে না।

 

কাস্টমার জিজ্ঞেস করলে পেজ থেকে ব্লক করে গালাগালি করে এবং মোবাইল নাম্বার থেকেও ব্লক করে বিভিন্ন ভাবে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলো তাদের আর পাওয়া যায় না। কাস্টমারের সাথে আর কোন যোগাযোগ করে না ভয়েস কালেকশনের দালাল চক্র।

 

 

এমনিভাবে প্রতিনিয়ত প্রতারণার সম্মুখীন হচ্ছে শত শত জনসাধারণ, তারই এক প্রতারণা সিকার, মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার বজ্রযোগীনি ইউনিয়নের মামাসার গ্রামের, মোঃ সালমান হাসান,(২৯) পিতা-হাজী আমির হোসেন শেখ।

 

মোঃ সালমান হাসান আকুল আবেদন বাংলাদেশ সরকারের ডিজিটাল আইনের এর আওতাধীন ভোক্তা অধিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলছি তারা যেন যথাযথ পদক্ষেপ নেয়। এইরকম অনলাইনের পেজের নামে প্রতারণা চক্রের মূল হতাদের।

Leave A Reply

Your email address will not be published.