২৪ ঘন্টাই খবর

কলাপাড়া উপজেলায় প্রকল্পের রাস্তার মাটির কাজে নানা অনিয়মের অভিযোগ।

কলাপাড়া উপজেলায় প্রকল্পের রাস্তার মাটির কাজে নানা অনিয়মের অভিযোগ।

স্টাফ রিপোর্টার। মোঃ শাহাবুদ্দিন ঃ-

কলাপাড়া উপজেলার ৫নং নীলগঞ্জ ইউনিয়নের ফুলবুনিয়া খেয়া ঘাট থেকে উমিদপুর বাজারে আসার এক মাত্র রাস্তাটি উপজেলা প্রকল্প কাবিখার মাটির রাস্তার কাজের নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। রাস্তাটি সোনা তলা নদীর পাশ ঘেসা ভাঙ্গন কবলিত । রাস্তাটি দিয়ে দৈনিক শত শত মোটরসাইকেল ও মানুষের চলাচলের একটি মাত্র রাস্তা। রাস্তাটি নদীর পাশ ঘেসা হওয়ায়ে বর্ষার মৌসুমে পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় জনগণের দুর্ভোগের সীমা থাকে না। নদীর পাড়ের রাস্তা হওয়া সত্যেও রাস্তার উপর ভেকু মেশীন দিয়ে নদীর পাড় থেকে মাটি কাটার কারনে রাস্তাটি হুমকির মুখে। রাস্তাটি যে কোন প্রকৃতিক দুর্যোগ অথবা নদীর প্রবল পানির স্রোতে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশংকা করেছে অত্র এলাকার স্থানীয় জনগন। অথচ রাস্তা টিতে প্রকল্পের বরাদ্দকৃত কাজ থাকা সত্ত্বেও কাজে নানা অনিয়মের অভিযোগ করেছেন স্থানী জনসাধার। বেরিবাধ থেকে নদীর পার পর্যন্ত দৈর্ঘ্য ৯১৫ ফুট এবং প্রস্থ ১২ ফুট উচ্চতা ২ ফুট করে রাস্তাটি করার কথা থাকলেও সরজমিনে গিয়ে এর ব্যতিক্রম লক্ষ করা যায়। গোপন সূত্রে, প্রকল্পের বরাদ্দকৃত অর্থের পরিমাণ সাড়ে সাত টন গমের কথা জানা যায়। এবিষয়ে সাংবাদ কর্মী গন সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয় জনসাধারণের মুখে রাস্তাটি দূর্ভগের কথা শুনেন। স্থানীয় মোঃ মাঈনুদ্দিন বলেন, এরাস্তাটি গুরুত্বপূর্ণ দৈনিক শত শত মোটরসাইকেল চলাচল করে। নদীর পাড়ের খেয়াঘাটের রাস্তাটি বর্ষা মৌসুমে জোয়ার পানিতে তলিয়ে যায়। রাস্তাটি নদীর পাড়ে হওয়ার নদী ভঙ্গনের হুমকির মুখে। অথচ নদীর পাড় থেকে ভেকু মেশিন দিয়ে মাটি কাটার ফলে রাস্তাটি যেকোন সময় নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে। রাস্তাটিতে যে টাকা বরাদ্দ হয়েছে সে পরিমাণ কাজ হয় নাই। স্থানীয় আঃ মোতালেব বলেন, রাস্তাটি দিয়ে ফুলবনিয়র অনেক লোক চলাচল করে। রাস্তাটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ। রাস্তাটিতে ভালো করে কাজ করলে কিছুটা হলেও জনগণের দূর্ভোগ লাগব হত। রাস্তাটি বর্ষা কালে জোয়ারের পানিতে তলিয়ে যায়। রাস্তাটিতে যে পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ হয়েছে সে পরিমাণ কাজ করে নাই। এবিষয়ে সংবাদ কর্মী গন ৭,৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডের মহিলা মেম্বার মোসাঃ মাহাফুজার নিকট মোবাইল ফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন এটা আমাদের পরিষদের বিষয় আমাদের ম্যানুয়ালে যেভাবে আছে সেভাবেই কাজ করেছি। এবিষয় ০৮ নং ওয়ার্ডের মেম্বার মোঃ হেমায়েত উদ্দিন উকিল এর নিকট মুঠোফোনে জানতে চাইলে একাধিক বার তাকে ফোন করার পরেও তার ফোন রিসিভ করে নাই। এবিষয়ে ৫নং নীলগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ বাবুল মিয়ার নিকট মুঠফোনে জানতে চাইলে তিনি কোন কিছু বলতে রাজি হননি।

Leave A Reply

Your email address will not be published.