২৪ ঘন্টাই খবর

ট্রাম্পের অভিশংসন: ক্যাপিটল হিলে হামলা ঘিরে তুমুল বিতর্ক

প্রেসিডেন্ট হিসেবে বিদায় নিলেও, দ্বিতীয়বারের মতো অভিশংসনের মুখোমুখি সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন সিনেটে শুনানির দ্বিতীয় দিনেও ডেমোক্র্যাট সিনেটরদের তোপের মুখে পড়েন তিনি। এসময়, অভিশংসন বিষয়ক ব্যবস্থাপক ডেমোক্র্যাটিক সিনেটর হোয়াকিন ক্যাস্ত্রো বলেন, সমর্থকদের উস্কানি দিয়ে ক্যাপিটল হিলে সহিংসতার মধ্য দিয়ে ট্রাম্প সব আইনপ্রণেতাকে রীতিমতো মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়েছিলেন।

নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার অনেক আগেই ভোট কারচুপির মিথ্যা অভিযোগ তুলে তিনি সমর্থকদের প্ররোচিত করেছিলেন বলেও দাবি করেন এই সিনেটর।

ক্যাস্ত্রো বলেন, নির্বাচনের ফল ঘোষণার রাতে ট্রাম্প ১৬ বার টুইট করেছেন। ক্যাপিটল হিলে জড়ো হতে তিনি তার সমর্থকদের বারবার উস্কানি নিয়েছেন। যখন সহিংসতা চলছিল, তখন সবাই চাইছিল তিনি তার সমর্থকদের থামতে বলবেন। কিন্তু তিনি তা করেন নি। উল্টো ক্যাপিটল হিলে উপস্থিত সবাইকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়েছেন।

এছাড়াও, শুনানির আরেক ব্যবস্থাপক ডেমোক্র্যাট সিনেটর জেমি রাসকিন বলেন, ক্যাপিটল হিলে সহিংসতার উস্কানি দিয়ে ট্রাম্প কেবল প্রেসিডেন্ট হিসেবে তার শপথ ভঙ্গ করেননি, প্রেসিডেন্টের কার্যালয়কেও কলঙ্কিত করেছেন।

জেমি বলেন, আমার বক্তব্য পরিষ্কার। ট্রাম্প ইতিহাসে সবচেয়ে জঘন্যভাবে সংবিধান ও প্রেসিডেন্টের শপথ লঙ্ঘন করেছেন। আর এজন্যই তিনি প্রতিনিধি পরিষদে অভিশংসিত হয়েছেন। সিনেটেরও উচিত যেকোন মূল্যে তাকে অভিশংসন করা।

ট্রাম্পের অভিশংসন ইস্যুতে এদিন প্রায় ১৬ ঘন্টা ধরে বিতর্কে অংশ নেন আইনপ্রণেতারা। আর ট্রাম্পকে অভিশংসন করতে হলে লাগবে সিনেটের দুই তৃতীয়াংশ সদস্যের সমর্থন। এর আগে, ইতিহাসের প্রথম প্রেসিডেন্ট হিসেবে প্রতিনিধি পরিষদে দ্বিতীয় বারের মত অভিশংসিত হন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

এদিকে, বুধবার সিনেটে ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতারা ক্যাপিটল হিলে সহিংসতার নতুন কিছু ছবি প্রকাশ করেন। পুলিশের বডি ক্যামে ধারণকৃত এসব ছবির একটিতে রিপাবলিকান সিনেটর মিট রমনিকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যেতে দেখা যায় এক পুলিশ সদস্যকে। অপর এক ছবিতে তৎকালীন ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স ও তার পরিবারের সদস্যদেরও নিরাপদে সরিয়ে নিতে দেখা যায়।

Leave A Reply

Your email address will not be published.