২৪ ঘন্টাই খবর

সিরাজদিখানে চলছে শিক্ষার্থীদের ২য় ডোজ টিকা প্রদান কার্যক্রম।

সিরাজদিখানে চলছে শিক্ষার্থীদের ২য় ডোজ টিকা প্রদান কার্যক্রম।

 

তুষার আহাম্মেদ – মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে চলছে শিক্ষার্থীদের মাঝে ফাইজারের দ্বিতীয় ডোজ টিকা প্রদান কার্যক্রম।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সুত্রে জানাজায়, গেলো জানুয়ারি মাসের ৮ থেকে ১৫ তারিখ পযর্ন্ত উপজেলায় ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সি প্রায়ই ২১ হাজার শিক্ষার্থীদের ফাইজারের প্রথম ডোজ টিকা প্রদান করা হয়। গত ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শিক্ষার্থীদের মাঝে ফাইজারের দ্বিতীয় ডোজ টিকা প্রদান কার্যক্রম শুরু হয়। দ্বিতীয় ডোজ টিকা প্রদানের তৃতীয় দিনে উপজেলার দুইটি টিকা দান কেন্দ্র থেকে প্রায়ই ৫ হাজার শিক্ষার্থীদের ফাইজারের দ্বিতীয় ডোজ টিকা প্রদান করা হয়।

গতকাল বৃহস্পতিবার উপজেলা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তন টিকাদান কেন্দ্রে সরজমিনে ১১টার দিকে দেখা যায়, লাম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করে সুশৃঙ্খল ভাবে টিকা নিচ্ছে দ্বিতীয় ডোজ টিকা নিতে আসা শিক্ষার্থীরা এই টিকা দান কেন্দ্রে থেকে উপজেলার ৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায়াই ২২শ শিক্ষার্থীদের টিকা প্রদান করা হয়। পাশাপাশি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে ৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায়াই ২৩শ শিক্ষার্থীদের টিকা প্রদান করা হয়।

শিক্ষার্থী জেসমিন আক্তার বলেন, দীর্ঘ লাইন পার হয়ে আমি দ্বিতীয় টিকা গ্রহণ করেছি। আমার মতই অনেকেই দীর্ঘ লাইন পার হয়ে টিকা দিতে হচ্ছে। আজকে অনেক ছাত্র-ছাত্রী এসেছে টিকা দেওয়ার জন্য।

আরেক শিক্ষার্থী সুমন বলেন, আজকে প্রচুর দীর্ঘ লাইন ছিলো, সেইটা শেষ করে টিকা দিতে হয়েছে। টিকা দিয়েছি ভাল লাগছে এখন।

ডা. আঞ্জুমান আরা জানান, উপজেলার দুইটি টিকাদান কেন্দ্রের থেকে তিনদিনে প্রায়ই ৮ হাজার শিক্ষার্থীদের ফাইজার ভ্যাক্সিনের দ্বিতীয় ডোজ প্রদান হয়েছে । পর্যায়ক্রমে প্রথম ডোজ টিকা নেয়া সকল শিক্ষার্থীদের আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারী মধ্যে স্বীয় স্কুলের নির্দিষ্ট শিডিউল অনুযায়ীই নির্ধারিত টিকাদান কেন্দ্র থেকে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে টিকার দ্বিতীয় ডোজ প্রদান করা হবে। তিনি আরো জানান, দ্বিতীয় ডোজ টিকা নিতে প্রত্যেক ছাত্র/ ছাত্রীকে পূর্বের টিকাকার্ড সঙ্গে নিয়ে আসতে হবে।এছাড়াও প্রথম ডোজ টিকা গ্রহনের মাদ্রাসা সমূহের প্রধানগণকে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে টিকা কার্ড সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্কুল ,কলেজ, মাদ্রাসার নাম কোনো কারণে বাদ পড়ে থাকলে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কার্যালয়ে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানিয়ে ডা. আঞ্জুমান আরা বলেন

প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে তাদের স্কুলের প্রধান শিক্ষকের মাধ্যমে দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকদের তত্ত্বাবধানেই টিকাকেন্দ্রে আসতে হবে। শিক্ষার্থীদের তাদের পিতামাতার সাথে আসলে টিকা প্রদান সম্ভব হবেনা। তাই অবশ্যই নিজ নিজ স্কুলের সাথে যোগাযোগের মাধ্যমে টিকা নিতে অভিভাবকবৃন্দকে বিনীত অনুরোধ জানানো হচ্ছে। টিকাকেন্দ্রে অহেতুক ভীড় এড়াতে অভিভাবকবৃন্দকে শিক্ষার্থীদের সাথে না আসার জন্য বিনীত অনুরোধ জানান ডা. আঞ্জুমান আরা। তিনি আরো জানান,সকলের সর্বাত্মক সহযোগিতার মাধ্যমে সুশৃঙ্খলভাবে শিক্ষার্থীদের টিকাগ্রহণ নিশ্চিত করতে আমরা সচেষ্ট, টিকা নিতে আসা শিক্ষার্থীদের মাক্স পরিধান করে আসার অনুরোধ জানিয়ে তিনি আর জানান, নির্ধারিত দিনে যেসকল শিক্ষার্থী টিকা নিতে পারেনি তারা টিকা কার্ড নিয়ে পর্বতীতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে দ্বিতীয় ডোজ টিকা নিতে পারবেন । পাশাপাশি এখনো এই উপজেলার যারা ভ্যাক্সিন গ্রহণ করেননি তাদের সকলকে ভ্যাক্সিন গ্রহণের অনুরোধ জানান, তিনি বলেন ভ্যাক্সিন গ্রহণের পরে যদি কেউ সংক্রমণ হয় তা হলে তার সেক্ষেত্রে মৃত্যুঝুঁকি অনেক কম থাকে তা-ই সবাইকে ভ্যাক্সিন গ্রহণ করতে হবে।আমরা আমাদের পক্ষ থেকে মাঠ পর্যায়ে আমাদের স্বাস্থ্য কর্মীদের মাধ্যমে সবাইকে টিকা নিতে উৎসাহিত করছি এবং মাক্স পরিধানের ব্যাপারেও সচেতনতা চালিয়ে যাচ্ছি।

Leave A Reply

Your email address will not be published.