২৪ ঘন্টাই খবর

সিরাজদিখানে চরনিমতলার রাস্তার বেহাল দশা ।

সিরাজদিখানে চরনিমতলার রাস্তার বেহাল দশা

 

আরিফ হোসেন হারিছ সিরাজদিখান (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি:

 

মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখানে চরনিমতলা গ্রামের উত্তর পাড়ার রাস্তার বেহাল দশা।ভোগান্তিতে তিন গ্রামের ৪/৫ হাজার মানুষ। সংস্কারের অভাবে অসংখ্য খানা খন্দের কারণে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে রাস্তাটি। প্রায় ঘটছে দুর্ঘটনা। ফলে স্কুল, কলেজ, মাদরাসায় পড়ুয়া ছাত্রছাত্রীদের যাতায়াতে চরম সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে । সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তাটি পানিতে ডুবে যায়। এতে স্থানীয় শিক্ষার্থীরা পড়তে হচ্ছে চরম দুর্ভোগে।

 

জানাযায় উপজেলার লতব্দী ইউনিয়নের চরনিমতলা গ্রামের কফিলউদ্দিনে সরকারের বাড়ি হতে হিরন মোল্লার বাড়ি পর্য়ন্ত দীর্ঘ রাস্তার বেহালদশা। একটু বৃষ্টি হলে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পরে রাস্তাটি।এমনকি রোগী ও মৃত ব্যক্তির লাশ নিয়ে বের হতে বেকায়দায় পরতে হয় ঐ এলাকার মানুষের

 

চরনিমতলা গ্রামের মনির হোসেন মুন্সী (৬৫) জানান আমরা দীর্ঘদিন যাবত চেয়ারম্যান ও মেম্বারের কাছে বলতেছি আমাদের এই রাস্তার দুর্দশা কিভাবে দুর হবে।কিভাবে ভালোভাবে এই রাস্তা দিয়ে চলতে পারি আমরা বারেবারে বলতেছি কিন্তু কেহ কিছু বলতেছে না।

চরনিমতলা গ্রামের সুমুি আক্তার ( ২৫) জানান এই রাস্তাটি অনেক দিন যাবত ভাংঙ্গাচুরা সংস্কার করা হচ্ছে না। আমাদের যাতায়াতের অনেক সমস্যা হয়।বর্ষা রাস্তার উপর হাটু পানি উঠ্ঠা যায় পরে নৌকা দিয়ে যাতায়াত করতে হয়।

 

মজর আলী মোল্লা(৮০) জানান মেঘবৃষ্টি হলে রাস্তাটি ভেংঙ্গে যায় আমরা চলতে পারিনা সরকারের কাছে অনুরোধ রইল তারাতারী যেন রাস্তাটি মেরামত করে দেয়।

 

অবসরপ্রাপ্ত স্কুল মাষ্টার সিরাজুল ইসলাম( ৮৫) জানান রাস্তাটায় ৪/৫ বছর আগে কিছু মাটি ফালানো হইছে এর পরে আর কোন কাজ করেনাই।দুই তিন গ্রামের ৪/৫ হাজার লোক এই রাস্তা দিয়ে আসাযাওয়া করে। যদি সরকার দয়া মেরামত করে দিতেন তাহলে আমরা উপকৃত হবো।

 

 

লতন্দী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এস এম সোহরাব হোসেন জানান বর্তমানে কমলা পুর মোড় হতে নিমতলা প্রাইমারি স্কুল পর্যন্ত ৮৯ ১৭৯৬ টাকা ব্যয়ে ১ হাজার মিটার রাস্তা পাকাকরন উন্নয়ন কাজ চলিতেছে পর্যায়ক্রমে আগামী বরাদ্দে লতব্দী স্কুল হতে নিমতলা সরকারী প্রাইমারি স্কুল পর্যন্ত বাকী রাস্তার পাকাকরন উন্নয়ন কাজ হবে ইনশাআল্লাহ।

 

এবিষয়ে সিরাজদিখান উপজেলা প্রকৌশলী শোয়াইব বিন আজাদ জানান আগামী অর্থবছরের বরাদ্দে রাস্তার বাকী অংশ টুকু মেইন রোডে সংযোগ পেতে পাকাকরণ দ্রুত করে ফেলবো।

Leave A Reply

Your email address will not be published.